প্রতিনিধি, রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে সকাল থেকে যাত্রীবাহি বাস, পণ্যবাহি ট্রাক, ব্যাক্তিগত যানবাহন ও যাত্রীর কিছুটা চাপ রয়েছে। তবে চাপ থাকলেও ভোগান্তি ছাড়াই ফেরি পার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন।
আজ রোববার সকাল ৯টা পযর্ন্ত দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দেড় কিলোমিটার এবং ঘাট থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই কিলোমিটার এলাকায় পণ্যবাহি ট্রাকের সারি ছিল। এরমধ্যে ব্যাক্তিগত গাড়ির সংখ্যাই বেশি। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানে ঘাটে আসছে। ফেরিগুলোতে উপচে পড়া ভিড় না থাকলেও অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। ফেরিগুলোতে যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই পারাপার হচ্ছে। অনেকের মুখে ছিলোনা মাস্ক।
তবে সকাল ৯টার পরে ব্যক্তিগত ও বাসের সিরিয়াল কমতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও ভোগান্তি ছাড়াই ফেরি পার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন গুলো।
ঢাকামুখী সাগর মোল্লা জানায়, আজ স্বস্তিতেই ফেরি পার হতে পারবো। কারণ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম। ভোর চারটায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রাকে উঠেছি। ঘাটে এসেছি সাতটার দিকে। জ্যামে আটকে আছি। ফেরিতে উঠতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে মনে হয়। বাসে গেলে অফিস ধরতে পারব না, তাই ট্রাকে ঝুঁকি নিয়েই যেতে হচ্ছে। চাকরি তো বাঁচাতে হবে।
স্থানীয় আজাদ হোসেন জানায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়বে। কেননা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে অর্থাৎ সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার বাস ঘাট এলাকায় পৌঁছাবে বেলা সকাল এগারোটার দিকে। সে সময় যানবাহনের সাড়ি বৃদ্ধি পাবে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মজিবুর রহমান জানায়, গণপরিবহন চালুর পর থেকেই ঘাট এলাকায় চাপ রয়েছে। তবে যানবাহন গুলিকে বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না। এই রুটে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে সকাল থেকে যাত্রীবাহি বাস, পণ্যবাহি ট্রাক, ব্যাক্তিগত যানবাহন ও যাত্রীর কিছুটা চাপ রয়েছে। তবে চাপ থাকলেও ভোগান্তি ছাড়াই ফেরি পার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন।
আজ রোববার সকাল ৯টা পযর্ন্ত দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দেড় কিলোমিটার এবং ঘাট থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই কিলোমিটার এলাকায় পণ্যবাহি ট্রাকের সারি ছিল। এরমধ্যে ব্যাক্তিগত গাড়ির সংখ্যাই বেশি। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানে ঘাটে আসছে। ফেরিগুলোতে উপচে পড়া ভিড় না থাকলেও অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। ফেরিগুলোতে যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই পারাপার হচ্ছে। অনেকের মুখে ছিলোনা মাস্ক।
তবে সকাল ৯টার পরে ব্যক্তিগত ও বাসের সিরিয়াল কমতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও ভোগান্তি ছাড়াই ফেরি পার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন গুলো।
ঢাকামুখী সাগর মোল্লা জানায়, আজ স্বস্তিতেই ফেরি পার হতে পারবো। কারণ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম। ভোর চারটায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রাকে উঠেছি। ঘাটে এসেছি সাতটার দিকে। জ্যামে আটকে আছি। ফেরিতে উঠতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে মনে হয়। বাসে গেলে অফিস ধরতে পারব না, তাই ট্রাকে ঝুঁকি নিয়েই যেতে হচ্ছে। চাকরি তো বাঁচাতে হবে।
স্থানীয় আজাদ হোসেন জানায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়বে। কেননা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে অর্থাৎ সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার বাস ঘাট এলাকায় পৌঁছাবে বেলা সকাল এগারোটার দিকে। সে সময় যানবাহনের সাড়ি বৃদ্ধি পাবে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মজিবুর রহমান জানায়, গণপরিবহন চালুর পর থেকেই ঘাট এলাকায় চাপ রয়েছে। তবে যানবাহন গুলিকে বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না। এই রুটে ছোট বড় মিলে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে