দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা নদীর ভাঙন রোধ ও তীরবর্তী গ্রাম রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আজ শনিবার সকালে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামে পায়রা নদীর পাড়ে মানববন্ধন করে এই দাবি জানানো হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শ মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এবি পার্টির পটুয়াখালী জেলার সদস্যসচিব মো. কামাল হোসেন, ইউপি সদস্য সরোয়ার শিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান তালুকদার, স্থানীয় বাসিন্দা জাকির বিশ্বাস, মো. সুমন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে আলগী গ্রামের বেশির ভাগ অংশ পায়রা নদীতে বিলীন হয়েছে। নদীর স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় লেবুখালী থেকে আলগী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আলগী গ্রামে ভাঙনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিবারগুলো নিজেদের মালপত্র কাছের রাস্তার ওপর স্তূপ করে রাখছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত পাঁচ-ছয় বছরে পায়রা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি, বাগান, ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভাঙন রোধের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে দু-এক দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ‘নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুততম সময়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’

পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা নদীর ভাঙন রোধ ও তীরবর্তী গ্রাম রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আজ শনিবার সকালে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামে পায়রা নদীর পাড়ে মানববন্ধন করে এই দাবি জানানো হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শ মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এবি পার্টির পটুয়াখালী জেলার সদস্যসচিব মো. কামাল হোসেন, ইউপি সদস্য সরোয়ার শিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান তালুকদার, স্থানীয় বাসিন্দা জাকির বিশ্বাস, মো. সুমন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যে আলগী গ্রামের বেশির ভাগ অংশ পায়রা নদীতে বিলীন হয়েছে। নদীর স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় লেবুখালী থেকে আলগী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আলগী গ্রামে ভাঙনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিবারগুলো নিজেদের মালপত্র কাছের রাস্তার ওপর স্তূপ করে রাখছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত পাঁচ-ছয় বছরে পায়রা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার ঘরবাড়ি, বাগান, ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভাঙন রোধের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে দু-এক দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যোগাযোগ করা হলে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ‘নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুততম সময়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে