বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফলে মোবাইল ফোনে ভিডিও করায় এক শিশুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার সকালে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল শনিবার রাতে আহত শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশু বাসার সামনে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিল। এ সময় এসআই মাসুদুর রহমান ফোনটি কেড়ে নেন এবং শিশুটির কানে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তাকে পুলিশের গাড়িতে তুললেও স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদের মুখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আহত শিশুটি বলে, ‘আমি শুধু বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিলাম। তখন পুলিশ ফোনটা নিয়ে নেয় এবং আমাকে মারধর করে। এতে আমার কানে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।’
প্রত্যক্ষদর্শী জালাল খন্দকার বলেন, ‘শিশুটিকে মারধর করে গাড়িতে তোলা হলে আমরা কয়েকজন মিলে তাকে পুলিশের হাত থেকে নামিয়ে আনি।’
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। পরে জানতে পারি ছেলেকে মারধর করে ফোন নিয়ে গেছে। পুলিশের ভয়ে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করাইনি। কিন্তু ব্যথায় সারা রাত ঘুমাতে পারেনি বলে স্থানীয়দের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে আসি।’
অভিযুক্ত এসআই মাসুদুর রহমানের দাবি, জমিসংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য তিনি ওই গ্রামে গেলে শিশুটি ভিডিও ধারণ করছিল। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু ফোনটি নিয়ে এসেছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নুরজাহান জানান, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে কানের ব্যথার বিষয়ে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এসআই মাসুদুরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি স্বীকার করেছেন, শিশুটির মাথা ধরে ঝাঁকি দিয়ে ফোনটি নিয়েছেন।’

পটুয়াখালীর বাউফলে মোবাইল ফোনে ভিডিও করায় এক শিশুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার সকালে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল শনিবার রাতে আহত শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশু বাসার সামনে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে খেলতে মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিল। এ সময় এসআই মাসুদুর রহমান ফোনটি কেড়ে নেন এবং শিশুটির কানে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তাকে পুলিশের গাড়িতে তুললেও স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদের মুখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আহত শিশুটি বলে, ‘আমি শুধু বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিলাম। তখন পুলিশ ফোনটা নিয়ে নেয় এবং আমাকে মারধর করে। এতে আমার কানে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।’
প্রত্যক্ষদর্শী জালাল খন্দকার বলেন, ‘শিশুটিকে মারধর করে গাড়িতে তোলা হলে আমরা কয়েকজন মিলে তাকে পুলিশের হাত থেকে নামিয়ে আনি।’
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। পরে জানতে পারি ছেলেকে মারধর করে ফোন নিয়ে গেছে। পুলিশের ভয়ে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করাইনি। কিন্তু ব্যথায় সারা রাত ঘুমাতে পারেনি বলে স্থানীয়দের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে আসি।’
অভিযুক্ত এসআই মাসুদুর রহমানের দাবি, জমিসংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য তিনি ওই গ্রামে গেলে শিশুটি ভিডিও ধারণ করছিল। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু ফোনটি নিয়ে এসেছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নুরজাহান জানান, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে কানের ব্যথার বিষয়ে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এসআই মাসুদুরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি স্বীকার করেছেন, শিশুটির মাথা ধরে ঝাঁকি দিয়ে ফোনটি নিয়েছেন।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে