পঞ্চগড় প্রতিনিধি

ধর্ষণের শিকার এক শিশুর স্বজনদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের নারী সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয়রা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তিন মিনিটের ভিডিওতে হাসপাতালের চিকিৎসক আবুল কাশেমকে বলতে শোনা যায়, ‘এই ব্যাটা থানায় যায় পড়ে রহিবো। বুঝিস নাই! কাগজ খান নিয়ে থানাত যায় পড়ে রহিস। কী ... করিস। হাসপাতালটা চিড়িয়াখানা পাইছে। মানসম্মান তোমাদের কিচ্ছু নাই। এ বেটা ঘুষায়ে নাক ফাটায় ফেলব।’
ভিডিওর পোস্টে অনেকে মন্তব্য করেছেন। Dr. Md Mojammel Haque Nahid লিখেছেন, ‘মেডিকেল সায়েন্সের সবচেয়ে বড় বিদ্যা হলো কাউন্সেলিং। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকের এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। কয়েকজনের কারণে পুরো চিকিৎসক সমাজ দোষারোপের শিকার হয়।’
Foysal Mahmud লিখেছেন, ‘ভয়ংকর, এই লোক কীভাবে চিকিৎসক হতে পারে!’ মাহাবুবার রহমান মিরাজ মন্তব্য করেছেন, ‘তার চিকিৎসা করার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হোক।’
আর Nazrul Islam Nabir লিখেছেন, ‘এই অসভ্যের হওয়ার কথা ছিল লোকাল বাসের কন্ডাক্টর, হয়ে গেছে ডাক্তার!’
এদিকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চিকিৎসক আবুল কাশেমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভিডিওটি আমার নজরে আসার পরপরই আমি আরএমওর কাছে ওই চিকিৎসককে শোকজ করে ব্যাখ্যা চাইতে বলেছি। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর বোঝা যাবে, কেন তিনি এ ধরনের আচরণ করেছেন। বিষয়টি অপ্রত্যাশিত ও বিব্রতকর।’
উল্লেখ্য, ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেবীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় বাড়ির সামনে খেলা করছিল ভুক্তভোগী শিশু। এ সময় এক কিশোর তাকে খেলনা গাড়ি ও চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি হলুদখেতে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।
পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।

ধর্ষণের শিকার এক শিশুর স্বজনদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের নারী সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয়রা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তিন মিনিটের ভিডিওতে হাসপাতালের চিকিৎসক আবুল কাশেমকে বলতে শোনা যায়, ‘এই ব্যাটা থানায় যায় পড়ে রহিবো। বুঝিস নাই! কাগজ খান নিয়ে থানাত যায় পড়ে রহিস। কী ... করিস। হাসপাতালটা চিড়িয়াখানা পাইছে। মানসম্মান তোমাদের কিচ্ছু নাই। এ বেটা ঘুষায়ে নাক ফাটায় ফেলব।’
ভিডিওর পোস্টে অনেকে মন্তব্য করেছেন। Dr. Md Mojammel Haque Nahid লিখেছেন, ‘মেডিকেল সায়েন্সের সবচেয়ে বড় বিদ্যা হলো কাউন্সেলিং। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকের এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। কয়েকজনের কারণে পুরো চিকিৎসক সমাজ দোষারোপের শিকার হয়।’
Foysal Mahmud লিখেছেন, ‘ভয়ংকর, এই লোক কীভাবে চিকিৎসক হতে পারে!’ মাহাবুবার রহমান মিরাজ মন্তব্য করেছেন, ‘তার চিকিৎসা করার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হোক।’
আর Nazrul Islam Nabir লিখেছেন, ‘এই অসভ্যের হওয়ার কথা ছিল লোকাল বাসের কন্ডাক্টর, হয়ে গেছে ডাক্তার!’
এদিকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চিকিৎসক আবুল কাশেমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভিডিওটি আমার নজরে আসার পরপরই আমি আরএমওর কাছে ওই চিকিৎসককে শোকজ করে ব্যাখ্যা চাইতে বলেছি। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর বোঝা যাবে, কেন তিনি এ ধরনের আচরণ করেছেন। বিষয়টি অপ্রত্যাশিত ও বিব্রতকর।’
উল্লেখ্য, ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেবীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় বাড়ির সামনে খেলা করছিল ভুক্তভোগী শিশু। এ সময় এক কিশোর তাকে খেলনা গাড়ি ও চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি হলুদখেতে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।
পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৫ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
২০ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৩ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪০ মিনিট আগে