পাবনা ও চাটমোহর প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান আনিসকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার মৃতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রভাকরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে জাকিরুল সরদার (৪০) ও জাহিদুল সরদার (৩৬), মৃত বাহের উদ্দিনের ছেলে আইনুল হক (৬৫) এবং তাঁর ছেলে কাওসার হোসেন ওরফে সারোয়ার (২৮)। গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, গতকাল রাতে মৃতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অন্যদিকে, আজ শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মৃতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী। মিছিলটি নতুন বাজার থেকে শুরু হয়ে পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রভাকরপাড়া গ্রামে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা গাজিবুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হোসেন, সাগর আহম্মেদ, আজিবর রহমান প্রমুখ। অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রভাকরপাড়া গ্রামের আয়নাল হক ও আনিসুর রহমানের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ সেই জায়গা নিজের দাবি করে গতকাল দুপুরে আনিসুর রহমান সীমানাপ্রাচীর দেওয়ার সময় আয়নাল হক গংয়েরা হামলা চালায়। এতে আনিসসহ আরও ছয়জন আহত হন। এ সময় গুরুতর আহতাবস্থায় আনিসকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাবনার চাটমোহরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান আনিসকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার মৃতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রভাকরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে জাকিরুল সরদার (৪০) ও জাহিদুল সরদার (৩৬), মৃত বাহের উদ্দিনের ছেলে আইনুল হক (৬৫) এবং তাঁর ছেলে কাওসার হোসেন ওরফে সারোয়ার (২৮)। গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, গতকাল রাতে মৃতের ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অন্যদিকে, আজ শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মৃতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী। মিছিলটি নতুন বাজার থেকে শুরু হয়ে পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রভাকরপাড়া গ্রামে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা গাজিবুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হোসেন, সাগর আহম্মেদ, আজিবর রহমান প্রমুখ। অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রভাকরপাড়া গ্রামের আয়নাল হক ও আনিসুর রহমানের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ সেই জায়গা নিজের দাবি করে গতকাল দুপুরে আনিসুর রহমান সীমানাপ্রাচীর দেওয়ার সময় আয়নাল হক গংয়েরা হামলা চালায়। এতে আনিসসহ আরও ছয়জন আহত হন। এ সময় গুরুতর আহতাবস্থায় আনিসকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে