চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহরে একটি সেতুর মাঝখান ধসে গেছে। উপজেলার কামালপুর বাজারসংলগ্ন চন্দ্রাবতী নদীতে নির্মিত সেতুতে এই ধস দেখা দেয়। তাতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এলাকার শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক, যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সেতুর ভাঙনের কারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে সেতুর সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন সেতু এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, এই সেতু উপজেলা ও আশপাশের অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। কামালপুর, ধানবিল, দয়রামপুর, বামনগ্রাম, কাঁঠালবাড়ী, খৈরাস, পার্শ্ববর্তী আটঘরিয়া উপজেলার পারখিদিরপুর, ভরতপুর, রাঘবপুর, মথুরানগর ও সোনাকান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। সেতুর মাঝের অংশে ধস দেখা দিলেও এর ওপর দিয়ে মানুষের চলাচল থেমে নেই। স্থানীয় জনগণের মতে, এই সেতু দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কামালপুর বাজারের ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই সেতু দিয়ে ১৫-২০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। আমাদের এলাকা কৃষিপ্রধান হওয়ায় সেতু ভেঙে যাওয়ার পরও আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফসল আনা-নেওয়া করছি। আমরা দ্রুত সেতুটি মেরামতের দাবি জানাই।’
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘প্রতিদিন এই ভাঙা সেতু দিয়ে অটোরিকশা, অটোবাইক, মোটরসাইকেল, ছোট-বড় ট্রাক, যাত্রী ও মালামাল নিয়ে চলাচল করতে হয়। সেতুটি দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটমোহর উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরীসহ আমরা সেতুটি পরিদর্শন করেছি। ইউএনও মহোদয় সেতু সংস্কারের বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা শিগগিরই এটি মেরামতের ব্যবস্থা নেব।’

পাবনার চাটমোহরে একটি সেতুর মাঝখান ধসে গেছে। উপজেলার কামালপুর বাজারসংলগ্ন চন্দ্রাবতী নদীতে নির্মিত সেতুতে এই ধস দেখা দেয়। তাতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এলাকার শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক, যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সেতুর ভাঙনের কারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে সেতুর সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন সেতু এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, এই সেতু উপজেলা ও আশপাশের অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। কামালপুর, ধানবিল, দয়রামপুর, বামনগ্রাম, কাঁঠালবাড়ী, খৈরাস, পার্শ্ববর্তী আটঘরিয়া উপজেলার পারখিদিরপুর, ভরতপুর, রাঘবপুর, মথুরানগর ও সোনাকান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। সেতুর মাঝের অংশে ধস দেখা দিলেও এর ওপর দিয়ে মানুষের চলাচল থেমে নেই। স্থানীয় জনগণের মতে, এই সেতু দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কামালপুর বাজারের ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই সেতু দিয়ে ১৫-২০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। আমাদের এলাকা কৃষিপ্রধান হওয়ায় সেতু ভেঙে যাওয়ার পরও আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফসল আনা-নেওয়া করছি। আমরা দ্রুত সেতুটি মেরামতের দাবি জানাই।’
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘প্রতিদিন এই ভাঙা সেতু দিয়ে অটোরিকশা, অটোবাইক, মোটরসাইকেল, ছোট-বড় ট্রাক, যাত্রী ও মালামাল নিয়ে চলাচল করতে হয়। সেতুটি দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটমোহর উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরীসহ আমরা সেতুটি পরিদর্শন করেছি। ইউএনও মহোদয় সেতু সংস্কারের বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা শিগগিরই এটি মেরামতের ব্যবস্থা নেব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে