পাবনা প্রতিনিধি

একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং '৭২-এর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য গোলাম হাসনায়েন (৮৫) মারা গেছেন। আজ শনিবার ভোরে পাবনা শহরের পৌর এলাকার নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। গোলাম হাসনায়েন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত গোলাম হাসনায়েন গণপরিষদের সদস্য, ভাষা সংগ্রামী ও পাবনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন।
পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিকেলে ভকেশনাল স্কুল মাঠে মৃতের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।’
গোলাম হাসনায়েন বৃহত্তর পাবনার উল্লাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে উল্লাপাড়া আসন থেকে তিনি সদস্য (এমসিএ) নির্বাচিত হন।
গোলাম হাসনায়েন ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি। আজীবন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাঁকে ২০২১ সালে একুশে পদক প্রদান করে।
অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনায়েনের মৃত্যুতে পাবনার মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং '৭২-এর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য গোলাম হাসনায়েন (৮৫) মারা গেছেন। আজ শনিবার ভোরে পাবনা শহরের পৌর এলাকার নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। গোলাম হাসনায়েন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
মৃত গোলাম হাসনায়েন গণপরিষদের সদস্য, ভাষা সংগ্রামী ও পাবনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন।
পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিকেলে ভকেশনাল স্কুল মাঠে মৃতের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।’
গোলাম হাসনায়েন বৃহত্তর পাবনার উল্লাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষ করে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে উল্লাপাড়া আসন থেকে তিনি সদস্য (এমসিএ) নির্বাচিত হন।
গোলাম হাসনায়েন ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি। আজীবন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাঁকে ২০২১ সালে একুশে পদক প্রদান করে।
অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনায়েনের মৃত্যুতে পাবনার মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে