চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
মৃত গৃহবধূ মিনা খাতুন ওই গ্রামের সোহাগ হোসেনের স্ত্রী এবং একই উপজেলার দাঁথিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহাগ হোসেনের সঙ্গে ১১ মাস আগে বিয়ে হয় মিনা খাতুনের। বিয়ের পর সোহাগের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে সোহাগের বাবা আনোয়ার হোসেন মিনার বাবা-মাকে গিয়ে জানান তাঁদের মেয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁরা তাৎক্ষণিক মেয়ের স্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান মিনার মরদেহ ঘরের মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় আছে।
মিনা খাতুনের মা আনজুয়ারা খাতুন অভিযোগ করেন, ‘আমি মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখি মেয়ের লাশ ঘরের মেঝেতে শোয়ানো আছে। বাড়ির লোকজন একবার বলে মেয়েটা খাটের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিছে, আরেকবার বলে ঘরের ডাবের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিছে। বিষয়টা রহস্যজনক মনে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের পর আমার মেয়ের কাছে শুনেছি, জামাই তার এক বেয়াইনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করে। তার মোবাইল ফোনে ওই মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের ঘনিষ্ঠ ছবি ছিল। আমার মেয়ের সামনে ফোনে বেয়াইনের সঙ্গে কথা বলত সোহাগ। সেটা নিয়ে মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের মাঝে-মধ্যে ঝগড়া হতো। মারধর করত। আমার মেয়েকে মেরে ফেলে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে। আমার মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাই।’
মিনা খাতুনের স্বামী সোহাগ হোসেন বলেন, ‘আমার কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নেই। এসব মিথ্যা কথা। রাতে খাবার নিয়ে একটু ঝগড়া হয়েছিল। পরে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ৩টার দিকে ঘড়ির অ্যালার্ম শুনে ঘুম থেকে জেগে দেখি ডাবের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলছে মিনা। কেন সে আত্মহত্যা করেছে তা বুঝতে পারছি না।’
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।’

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
মৃত গৃহবধূ মিনা খাতুন ওই গ্রামের সোহাগ হোসেনের স্ত্রী এবং একই উপজেলার দাঁথিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহাগ হোসেনের সঙ্গে ১১ মাস আগে বিয়ে হয় মিনা খাতুনের। বিয়ের পর সোহাগের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে সোহাগের বাবা আনোয়ার হোসেন মিনার বাবা-মাকে গিয়ে জানান তাঁদের মেয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁরা তাৎক্ষণিক মেয়ের স্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান মিনার মরদেহ ঘরের মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় আছে।
মিনা খাতুনের মা আনজুয়ারা খাতুন অভিযোগ করেন, ‘আমি মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখি মেয়ের লাশ ঘরের মেঝেতে শোয়ানো আছে। বাড়ির লোকজন একবার বলে মেয়েটা খাটের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিছে, আরেকবার বলে ঘরের ডাবের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিছে। বিষয়টা রহস্যজনক মনে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের পর আমার মেয়ের কাছে শুনেছি, জামাই তার এক বেয়াইনের সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করে। তার মোবাইল ফোনে ওই মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের ঘনিষ্ঠ ছবি ছিল। আমার মেয়ের সামনে ফোনে বেয়াইনের সঙ্গে কথা বলত সোহাগ। সেটা নিয়ে মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের মাঝে-মধ্যে ঝগড়া হতো। মারধর করত। আমার মেয়েকে মেরে ফেলে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে। আমার মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাই।’
মিনা খাতুনের স্বামী সোহাগ হোসেন বলেন, ‘আমার কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নেই। এসব মিথ্যা কথা। রাতে খাবার নিয়ে একটু ঝগড়া হয়েছিল। পরে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ৩টার দিকে ঘড়ির অ্যালার্ম শুনে ঘুম থেকে জেগে দেখি ডাবের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলছে মিনা। কেন সে আত্মহত্যা করেছে তা বুঝতে পারছি না।’
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩০ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩৫ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৩৮ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
৪২ মিনিট আগে