মিজানুর রহমান রিয়াদ, নোয়াখালী

বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় নোয়াখালীর ৯টি উপজেলার ২৯টি সড়কের প্রায় ৪০০ কিলোমিটারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সড়কের কোথাও পিচ ঢালাই উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও আবার খানাখন্দে পানি জমে আছে। এসব পথে যাত্রী ও চালকেরা প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। চলতি বছরে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত—চার মাসে বৃষ্টির পানি জমে এসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নোয়াখালীর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সড়কের ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়েছে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ এই সড়ক সংস্কারের জন্য উপজেলাভিত্তিক তালিকা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
গত বছরের আগস্টে ভারতের ত্রিপুরা থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণ নোয়াখালী ও ফেনীতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। সে সময় সড়কেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। এখনো সেসব সড়ক পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে চলতি বছরের বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা।
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডোবা ও নালা ডুবে চার মাস ধরে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। দীর্ঘদিন এই জলাবদ্ধতার কারণে সড়কের মূল ক্ষতি হয়।
এলজিইডির কর্মকর্তারা জানান, বৃষ্টিতে আঞ্চলিক ও গ্রামীণ পর্যায়ের ২৯টি সড়কের প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলার উদয়সাধুরহাট-করমুল্যা সড়ক, ওদারহাট-সফিগঞ্জ বাজার সড়ক, বাংলা বাজার-শান্তিরহাট সড়ক। সুবর্ণচর উপজেলার আটকপালিয়া-হালিম বাজার-বগার বাজার সড়ক, জনতা বাজার-কেরামতপুর বাজার সড়ক, পরিষ্কার বাজার-পাঙ্খার বাজার সড়ক, সমিতির বাজার-কাঞ্চন বাজার সড়ক, খাসেরহাট-সমিরহাট সড়ক, জাহাজমারা-ভূঁইয়ারহাট সড়ক, দক্ষিণ ওয়াপদা-আল আমিন বাজার সড়ক।
সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর-চাঁদপুর সড়ক, আমিশাপাড়া কলেজ-স্যামেরখিল সড়ক, নবগ্রাম রুস্তম কোম্পানি মসজিদ-দুর্গা দৌলতপুর আবদুল জলিল পাটোয়ারী ব্রিজ সড়ক, ধন্যপুর আবু ডাক্তার সড়ক। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বামনি কলেজ-বাঞ্চারাম বাজার সড়ক, বসুরহাট বাংলা বাজার-এসপি আবু সুফিয়ান বাড়ি সড়ক, নতুন বাজার-বামনি সড়ক।
কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট-চাপরাশিরহাট-শাহজিরহাট সড়ক, রহমত নগর-নলুয়া ভূঁইয়ারহাট সড়ক, চাপরাশিরহাট-গুল্লাখালি-মৌলভীবাজার সড়ক।
হাতিয়া উপজেলার ডিসি সড়ক-ওয়াপদা সড়ক, কাজীরটেক-মহিউদ্দিন বাজার-দিদার বাজার-টিনের মসজিদ সড়ক। সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া-তেমুহনী সড়ক, বসন্তপুর-বিরাহিমপুর বাজার সড়ক, কুতুবের হাট-চন্দেরহাট-সেবারহাট সড়ক, সিলোনিয়া বাজার-তরিক উল্যা বীর বিক্রম-জমিদারহাট সড়ক এবং চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা-রাহিমগঞ্জ সড়ক, বাজার রোড-সোনাচাকা সড়ক, মানিকপুর-ছান্দিয়াপাড়া-সপ্তগাঁও সড়কের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সদর উপজেলার উদয়সাধুরহাট-করমুল্যা সড়কের ২১ কিলোমিটার ও কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট-গুল্লাখালি-মৌলভীবাজার সড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক।
এলজিইডির নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, জলাবদ্ধতা স্থায়ী হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৪০০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতির তালিকা করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় নোয়াখালীর ৯টি উপজেলার ২৯টি সড়কের প্রায় ৪০০ কিলোমিটারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সড়কের কোথাও পিচ ঢালাই উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও আবার খানাখন্দে পানি জমে আছে। এসব পথে যাত্রী ও চালকেরা প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। চলতি বছরে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত—চার মাসে বৃষ্টির পানি জমে এসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নোয়াখালীর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সড়কের ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়েছে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ এই সড়ক সংস্কারের জন্য উপজেলাভিত্তিক তালিকা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
গত বছরের আগস্টে ভারতের ত্রিপুরা থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণ নোয়াখালী ও ফেনীতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। সে সময় সড়কেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। এখনো সেসব সড়ক পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে চলতি বছরের বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা।
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডোবা ও নালা ডুবে চার মাস ধরে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। দীর্ঘদিন এই জলাবদ্ধতার কারণে সড়কের মূল ক্ষতি হয়।
এলজিইডির কর্মকর্তারা জানান, বৃষ্টিতে আঞ্চলিক ও গ্রামীণ পর্যায়ের ২৯টি সড়কের প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলার উদয়সাধুরহাট-করমুল্যা সড়ক, ওদারহাট-সফিগঞ্জ বাজার সড়ক, বাংলা বাজার-শান্তিরহাট সড়ক। সুবর্ণচর উপজেলার আটকপালিয়া-হালিম বাজার-বগার বাজার সড়ক, জনতা বাজার-কেরামতপুর বাজার সড়ক, পরিষ্কার বাজার-পাঙ্খার বাজার সড়ক, সমিতির বাজার-কাঞ্চন বাজার সড়ক, খাসেরহাট-সমিরহাট সড়ক, জাহাজমারা-ভূঁইয়ারহাট সড়ক, দক্ষিণ ওয়াপদা-আল আমিন বাজার সড়ক।
সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর-চাঁদপুর সড়ক, আমিশাপাড়া কলেজ-স্যামেরখিল সড়ক, নবগ্রাম রুস্তম কোম্পানি মসজিদ-দুর্গা দৌলতপুর আবদুল জলিল পাটোয়ারী ব্রিজ সড়ক, ধন্যপুর আবু ডাক্তার সড়ক। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বামনি কলেজ-বাঞ্চারাম বাজার সড়ক, বসুরহাট বাংলা বাজার-এসপি আবু সুফিয়ান বাড়ি সড়ক, নতুন বাজার-বামনি সড়ক।
কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট-চাপরাশিরহাট-শাহজিরহাট সড়ক, রহমত নগর-নলুয়া ভূঁইয়ারহাট সড়ক, চাপরাশিরহাট-গুল্লাখালি-মৌলভীবাজার সড়ক।
হাতিয়া উপজেলার ডিসি সড়ক-ওয়াপদা সড়ক, কাজীরটেক-মহিউদ্দিন বাজার-দিদার বাজার-টিনের মসজিদ সড়ক। সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া-তেমুহনী সড়ক, বসন্তপুর-বিরাহিমপুর বাজার সড়ক, কুতুবের হাট-চন্দেরহাট-সেবারহাট সড়ক, সিলোনিয়া বাজার-তরিক উল্যা বীর বিক্রম-জমিদারহাট সড়ক এবং চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা-রাহিমগঞ্জ সড়ক, বাজার রোড-সোনাচাকা সড়ক, মানিকপুর-ছান্দিয়াপাড়া-সপ্তগাঁও সড়কের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সদর উপজেলার উদয়সাধুরহাট-করমুল্যা সড়কের ২১ কিলোমিটার ও কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট-গুল্লাখালি-মৌলভীবাজার সড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক।
এলজিইডির নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, জলাবদ্ধতা স্থায়ী হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৪০০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতির তালিকা করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২১ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে