নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের মানববন্ধনের প্রস্তুতিকালে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনের জেলা সমন্বয়ক তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর শিল্পকলা একাডেমি-সংলগ্ন সড়কে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় সাম্যবাদী আন্দোলনের নোয়াখালী জেলা শাখা কার্যালয় দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হারুন অর রশিদ আজাদের বড় ভাই জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব আপেলের নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তারকেশ্বর ছাড়াও চারজন আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহত অভি চক্রবর্তী জানান, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় মাইজদী টাউন হল মোড়ে সমবায় ব্যাংক মার্কেটে সাম্যবাদী আন্দোলনের কার্যালয়ে তালা দেন আবদুল মোতালেব ও তাঁর লোকজন। এর পর থেকে তাঁরা কার্যালয়ে যেতে পারছেন না। এর প্রতিবাদে আজ সকাল ১০টা থেকে সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিতে যাওয়ার পথে বিএনপির লোকজন হামলা চালান। তাঁদের লাঠির আঘাতে তারকেশ্বরসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে ব্যানার, ফেস্টুন কেড়ে নেন। তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।
অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি বলেন, সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা তারকেশ্বর সমবায় ব্যাংকের দুটি কক্ষ দখল করেছেন।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীতে বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের মানববন্ধনের প্রস্তুতিকালে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনের জেলা সমন্বয়ক তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর শিল্পকলা একাডেমি-সংলগ্ন সড়কে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় সাম্যবাদী আন্দোলনের নোয়াখালী জেলা শাখা কার্যালয় দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হারুন অর রশিদ আজাদের বড় ভাই জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব আপেলের নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তারকেশ্বর ছাড়াও চারজন আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহত অভি চক্রবর্তী জানান, ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় মাইজদী টাউন হল মোড়ে সমবায় ব্যাংক মার্কেটে সাম্যবাদী আন্দোলনের কার্যালয়ে তালা দেন আবদুল মোতালেব ও তাঁর লোকজন। এর পর থেকে তাঁরা কার্যালয়ে যেতে পারছেন না। এর প্রতিবাদে আজ সকাল ১০টা থেকে সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিতে যাওয়ার পথে বিএনপির লোকজন হামলা চালান। তাঁদের লাঠির আঘাতে তারকেশ্বরসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে ব্যানার, ফেস্টুন কেড়ে নেন। তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।
অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি বলেন, সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা তারকেশ্বর সমবায় ব্যাংকের দুটি কক্ষ দখল করেছেন।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২২ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে