নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১২ নেতাকে তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রচারণায় অংশগ্রহণ নেওয়ায় তাদের এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম। আগামী ৩ দিনের মধ্যে সংগঠন থেকে কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না সে বিষয়ে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে আহ্বায়ক ও দুই যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত পত্র ওই ১২ নেতার কাছে পাঠানো হয়।
বহিষ্কার হওয়া নেতারা হলেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জহির খান, সদস্য জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কালা মিয়া, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান হোসেন, সদস্য মো. সাইদ নাঈম, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন, মেজর মন্নান কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সামছুদ্দিন স্বপন, সদস্য আব্দুর রহমান জিহাদী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হুদা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সুফি আহমেদ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য হারুনুর রশিদ শান্ত। জেলার সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুজ জাহেরের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেওয়ায় তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।
খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম জানান, নিজ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করার প্রমাণ পাওয়ায় অভিযুক্ত সবাইকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১২ নেতাকে তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রচারণায় অংশগ্রহণ নেওয়ায় তাদের এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম। আগামী ৩ দিনের মধ্যে সংগঠন থেকে কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না সে বিষয়ে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে আহ্বায়ক ও দুই যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত পত্র ওই ১২ নেতার কাছে পাঠানো হয়।
বহিষ্কার হওয়া নেতারা হলেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জহির খান, সদস্য জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কালা মিয়া, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান হোসেন, সদস্য মো. সাইদ নাঈম, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন, মেজর মন্নান কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সামছুদ্দিন স্বপন, সদস্য আব্দুর রহমান জিহাদী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হুদা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি সুফি আহমেদ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য হারুনুর রশিদ শান্ত। জেলার সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুজ জাহেরের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেওয়ায় তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।
খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম জানান, নিজ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করার প্রমাণ পাওয়ায় অভিযুক্ত সবাইকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে