Ajker Patrika

নীলফামারীর ডিমলায় তিন বছরেও হয়নি ৩ স্কুলের ভবন

  • একটি চালা ঘরে পাঠদান চলছিল, তাও ঝড়ে উড়ে গেছে।
  • দুর্যোগের দিনে বিপাকে পড়েন প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
মাসুদ পারভেজ রুবেল, ডিমলা (নীলফামারী)
আপডেট : ২৭ জুন ২০২৫, ০৭: ৪৪
ডিমলা উপজেলার জ্ঞানাঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ভবনে চলছে পাঠদান। ছবি: আজকের পত্রিকা
ডিমলা উপজেলার জ্ঞানাঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ভবনে চলছে পাঠদান। ছবি: আজকের পত্রিকা

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার জ্ঞানাঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার কক্ষের পুরোনো টিনশেড ঘর ভেঙে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় তিন বছর আগে। শেষ হওয়ার কথা পরের বছর এপ্রিলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার। শ্রেণিকক্ষ সংকটে প্রতিষ্ঠানটিতে জরাজীর্ণ টিনের চালা ঘরে পাঠদান চলছিল। সম্প্রতি তাও ঝড়ে উড়ে গেছে।

এ ছাড়া উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই বাস্তুহারা ও ছোটখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজের অবস্থাও তিন বছর ধরে একই। নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়ায়, শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চলছে জরাজীর্ণ টিনের চালার ঘরে।

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বিশেষ করে, বৃষ্টি বা দুর্যোগের সময় টিনের ঘরে পাঠদান কার্যক্রম চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ, ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে মেয়াদ বাড়িয়েও নির্মাণকাজ শেষ হচ্ছে না। কিছু শিক্ষার্থী এ সমস্যার কারণে অন্যত্র চলে যাচ্ছে, যা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।

উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে গেছে, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদ্যালয়গুলোর জন্য বহুতল ভবন নির্মাণে ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। তিনটি প্যাকেজে এমএইচ করপোরেশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। তবে কাজ সম্পন্ন করছেন সাব-ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম। ২০২২ সালের জুলাইয়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে জুনে কাজ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে শেষ করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। নির্মাণসামগ্রীর দাম বাড়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ রাখা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, জ্ঞানাঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটির তিনতলার ছাদ ঢালাই করা হয়েছে। তবে নিচতলার মেঝে ঢালাই করা হয়নি। কক্ষের দরজা-জানালা লাগানো হয়নি। শৌচাগার নির্মাণ হয়নি। ভবনের কিছু অংশে পলেস্তারা লাগানো হলেও কক্ষের দেয়াল নির্মাণ ও রঙের কাজ বাকি। পাশেই জরাজীর্ণ টিনের চালাঘরের ছোট ছোট ৩টি কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলত। সম্প্রতি ঝড়ে তাও উড়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের এখন নির্মাণাধীন ভবনের খোলা ছাদের নিচে পাঠদান করানো হচ্ছে।

একই চিত্র উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই বাস্তুহারা ও ছোটখাতা সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ভবনের নির্মাণকাজে ধীরগতির কারণে জরাজীর্ণ টিনের খুপরি ঘরে পাঠদান চলছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এবং পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএইচ করপোরেশনের মোস্তাক হোসেন বাবু বলেন, ‘কাজগুলো অপারেট করছেন সাব-ঠিকাদার শরিফুল ইসলাম দুলাল। আপনি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’ পরে শরিফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম বলেন, নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। কাজ শেষ না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

ফেনীতে ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজে হাজারো মানুষের ঢল

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে তাবলিগ জামাতের আয়োজনে আজ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা
ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে তাবলিগ জামাতের আয়োজনে আজ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গতকাল ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হ‌য় এ ইজতেমার কার্যক্রম।‌

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রানীরহাট এলাকায় মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূরদূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশগ্রহণ করেন। 

জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল। এদিন সকালে বয়ান করেন বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শুরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। 

আশরাফুল ইসলাম নামে জুমার নামাজে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি বলেন, ‘সচরাচর এত বড় জুমার জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয় না। সে জন্যই ইজতেমায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে এ জুমার নামাজ পড়েছি। আল্লাহ কারও অছিলায় সকলের দোয়া কবুল করবেন আশা করি।’ 

শাকিল নামে আরেক মুসল্লি বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর থেকে তিন দিনের এ ইজতেমায় এসেছি। তাবলিগের মুরব্বিরা দ্বীন ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান করছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞানে যথাযথ ধর্মীয় চর্চা করার চেষ্টা করব।’

আগামীকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

গজারিয়ায় জনতার হাতে আটক ৩ ডাকাত সদস্য

গজারিয়া (প্রতিনিধি) মুন্সিগঞ্জ 
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন তিনজন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে আবু হানিফ (৪২), চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার হাঁপানিয়া গ্রামের জসিম ব্যাপারীর ছেলে রাসেল (২৫) এবং গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি গ্রামের মুজাফফর ব্যাপারীর ছেলে লোকমান (৩০)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। গতকাল রাত ১২টায় পাহারা শুরু করার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে গ্রামে ১০-১২ জন লোকের উপস্থিতি টের পায় পাহারাদার দল। এ সময় তাঁদের ধাওয়া দেওয়া হলে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে আটক হন তিনজন। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। গণপিটুনি দিয়ে তাঁদের আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূরে আলম জিকু বলেন, ‘আহত তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে লোকমান ও আবু হানিফের অবস্থা ভালো নয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাত-পা ভেঙে গেছে কি না—তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এক্স-রে করতে দেওয়া হয়েছে। এক্স-রে রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলতে পারব।’

আটককৃত লোকমান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমরা ডাকাত নই। আমাদের প্রতিপক্ষ নয়ন-পিয়াস গ্রুপের লোকজন গতকাল রাতে আমাদের মারধর করে জনতার হাতে তুলে দিয়েছে। এই ভোঁতা অস্ত্র, পেট্রলবোমা নিয়ে কেউ ডাকাতি করতে আসে? এসব অস্ত্রও তাদের দেওয়া।’

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। জনতার হাতে আটক তিনজনকে আমরা থানায় নিয়ে আসি। তাদের কাছ থেকে কিছু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

পাবনায় মদ পানে ২ যুবকের মৃত্যু

পাবনা প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

পাবনায় মদ পানে সুমন সরকার (৩৫) ও মামুন হোসেন (৩২) নামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত যুবকেরা হলেন পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার সঞ্চিত সরকারের ছেলে সুমন সরকার এবং রাধানগর মক্তব এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মামুন হোসেন (৩২)। তাঁরা বাদ্যযন্ত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে তাঁরা উভয়ে একটি অনুষ্ঠান শেষে মদ পান করেন। এর পর থেকে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গতকাল রাতে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁদের। তবে তাঁদের পরিবার থেকে মৃত্যুর বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে বা কথা বলতে রাজি হয়নি। ঘটনার পর থানায় অভিযোগও করেননি পরিবারের সদস্যরা।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সুখি খাতুন জানান, মৃত্যুর আগে তাঁদের একজনকে রাত ১২টা এবং অপরজনকে রাত ৩টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। একজন হাসপাতালে মারা গেলে তাঁকে তাঁর স্বজনেরা নিয়ে চলে যান। আরেকজন রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, হাসপাতালের নথিপত্র অনুযায়ী তাঁদের মৃত্যুর কারণ মদপান উল্লেখ করা হয়েছে। কোথা থেকে, কীভাবে, কী মদ পান করে তাঁরা মারা গেলেন, এ বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

ওসি আরও জানান, ‌একজনের মরদেহ সৎকার করেছেন পরিবারের সদস্যরা। অপরজনের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এখনো মৃত্যুর বিষয়ে কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

পদ্মার এই কাতল মাছটির দাম ১ লাখ ৮ হাজার টাকা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কাতল। ছবি: আজকের পত্রিকা
১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কাতল। ছবি: আজকের পত্রিকা

পদ্মায় জেলের জালে আটকা পড়া এক কাতল মাছ ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। যার ওজন ছিল ৩০ কেজি। আজ শুক্রবার ভোরে মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার বাল্লা এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলে মন্টু হলদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে বলে জানান রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ।

শাহজাহান শেখ বলেন, ‘জেলে মন্টু হলদারের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলায়। ভোরে তিনি তাঁর দল নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার দাউদকান্দি এলাকায় পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন। সেখানে তাঁর জালে বিশাল একটি কাতল মাছ আটকা পড়ে। পরে তিনি আমার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মাছটি দৌলতদিয়ায় নিয়ে আসেন। আড়তে মাছটি ওজন দিয়ে দেখা যায় ৩০ কেজি। সে সময় মাছটি ৩ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় কিনে নিই।’

সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, ‘মাছটি কেনার পর বিক্রির জন্য মোবাইল ফোনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ করি। পরে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার এক সৌদিপ্রবাসীর কাছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত