
রাজধানীর উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের পর শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারানো শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী তাঁর নিজ গ্রামে শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার নীলফামারীর ডিমলায় ওই শিক্ষকের গ্রামের লোকজনের কাছে এসব কথা জানা যায়।
মাহরীন চৌধুরী নীলফামারীর জলঢাকার মৃত মহিতুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে এবং জলঢাকা বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি। আজ সকাল থেকে জেলার জলঢাকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বগুলাগাড়ী গ্রামে তাঁকে দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়।
মাহরীন চৌধুরীর প্রতিবেশী আব্দুল জব্বার আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই ঈদ ও মাঝেমধ্যে গ্রামে আসতেন মাহরীন। এ সময় এলাকার গরিব মানুষকে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কালভার্ট নির্মাণেও সহযোগিতা করেছেন। তিনি শিক্ষানুরাগী হিসেবে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে তাঁকে মনোনীত করেছে এলাকাবাসী।
নিহতের স্বামী মনছুর হেলাল বলেন, ‘ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বের হওয়ার সময় বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ সময় মাহরীন সামান্য আঘাত পায়। কিন্তু ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভেতরে আটকা পড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের আটকা পড়ার বিষয়টি সে মোবাইলে আমাকে জানায় এবং তাদের উদ্ধারে ভেতরে ঢুকে পড়ে। শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের সময় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার পর মারা যায়।’

সিয়াম বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। পাশে এক জায়গায় আমি বসে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ টের পাই, সঙ্গে প্রচুর ধোঁয়া। দুটি যানবাহনেরই গতি অনেক বেশি ছিল এবং পুরো মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে গেছে।’
১৪ মিনিট আগে
পাবনার চাটমোহরে চায়ের দোকানে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন আহত হয়েছেন। উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের খতবাড়ি এলাকার লালনের মোড়ে আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মুখোশধারী তিন দুর্বৃত্ত কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। সাজেদুলের হাতে এবং নাঈমের তলপেটে গুলি লাগলে তাঁরা মাটিতে লুটিয়ে
২৫ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের চেঁচুয়া এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল শুজ লিমিটেডের কারখানায় ইফতারে বিরিয়ানি খেয়ে হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ শ্রমিকদের ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
৩৭ মিনিট আগে
মাইক্রোবাসে ছিলেন না জনি। ফলে তিনি বেঁচে গেলেও তিন শিশুসন্তান নিয়ে মারা গেছেন তাঁর স্ত্রী পুতুল। ফলে একটি সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেল। দেবরের বিয়েতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন পুতুল, তাঁর তিন সন্তান আলিফ, সামিউল ও ইরাম।
১ ঘণ্টা আগে