ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের এক ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ করায় ওই কর্মকর্তার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের শিকার হয়েছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডিমলা থানার পুলিশ।
এ সময় ওই কর্মকর্তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন উত্তেজিত জনতা। পরে ইউএনও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নূর আলমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। নামজারি (নাম খারিজ), ডিসিআর ও দাখিলার জন্য তাঁকে আলাদা আলাদা টাকা দিতে হয়। কখনো টাকা দিলেও মেলে না নামজারি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাখঢাক না করেই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম থেকে শুরু করে অফিসের পিয়ন ঘুষ-দুর্নীতিসহ সব অনিয়মকে রূপ দিয়েছেন নিয়মে। আর এতে করে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী লোকজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো ফল হয় না।
খাজনার দাখিলার জন্য (ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ) সরকার নির্ধারিত ফির চেয়েও অতিরিক্ত টাকা আদায় করলেও রসিদ দেওয়া হয় সরকারি হিসাবেই। এভাবে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী এই কর্মকর্তা। দৌরাত্ম্য বেড়েছে দালাল সিন্ডিকেটেরও।
কালীগঞ্জ মৌজার বাসিন্দা আমিনুর ইসলাম বলেন, আমার ৭৫ শতাংশ জমির খাজনা রসিদ কেটে নিতে ছয় মাস ঘুরেছি। ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম ২ লাখ টাকা চেয়েছেন। পরে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় রাজি করিয়েছি। পুরো টাকা দিলেও রশিদে লিখেছেন মাত্র ১ হাজার ৬০০ টাকা।
একই গ্রামের মনিরুজ্জামান বিটুল বলেন, আমার এক একর জমির খাজনা বাবদ ৭৩২ টাকার রসিদ দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নিয়েছেন নুর আলম।
পিয়াজীপাড়ার বাসিন্দা প্রবাসী সিদ্দিকুর রহমান ঠাকুরগঞ্জ মৌজায় তার ৩৫ বিঘা জমির নাম খারিজ করতে এক মাস আগে ভূমি অফিসে যান। সিদ্দিক বলেন, ‘নামজারির জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম খরচ বাবদ বিঘাপ্রতি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চেয়েছেন। আমি তাঁর কাছে অনেকবার গিয়েছি। আমি এই টাকাও দিতে পারতাছি না। আমার নামজারিও হইতাছে না।’
স্থানীয় দলিল লেখক সুমন ইসলাম বলেন, তহসিলদার প্রকাশ্যেই বলেন, ‘টাকা খরচ করে এখানে এসেছি। টাকা না নিলে তো চলতে পারব না। ওপরেও তো কমিশন দিতে হয়।’ তিনি বলেন, আমি আজকে (সোমবার) খাজনা বাবদ ১০ হাজার টাকা দিয়েছি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুরকে। তিনি খাজনা রসিদ দিয়েছেন ৩ হাজার ৯০০ টাকার।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, নুর আলমের ঘুষবাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ও তাঁর নিয়োজিত দালাল কর্মচারী সিন্ডিকেটের উৎপাতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গোটা ভূমি অফিস হয়ে উঠেছে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। এ ছাড়া এই ভূমি কর্মকর্তা কাগজ দেখে খাজনা আদায় করেন না। যাচ্ছেতাই আচরণ করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম বলেন, ‘কারও কাছে বাড়তি কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি। একদম মিথ্যা অভিযোগ এটা। কেউ টাকা দেওয়ার কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীলফামারীর ডিমলায় পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের এক ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ করায় ওই কর্মকর্তার ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের শিকার হয়েছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডিমলা থানার পুলিশ।
এ সময় ওই কর্মকর্তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন উত্তেজিত জনতা। পরে ইউএনও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নূর আলমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। নামজারি (নাম খারিজ), ডিসিআর ও দাখিলার জন্য তাঁকে আলাদা আলাদা টাকা দিতে হয়। কখনো টাকা দিলেও মেলে না নামজারি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাখঢাক না করেই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম থেকে শুরু করে অফিসের পিয়ন ঘুষ-দুর্নীতিসহ সব অনিয়মকে রূপ দিয়েছেন নিয়মে। আর এতে করে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী লোকজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো ফল হয় না।
খাজনার দাখিলার জন্য (ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ) সরকার নির্ধারিত ফির চেয়েও অতিরিক্ত টাকা আদায় করলেও রসিদ দেওয়া হয় সরকারি হিসাবেই। এভাবে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী এই কর্মকর্তা। দৌরাত্ম্য বেড়েছে দালাল সিন্ডিকেটেরও।
কালীগঞ্জ মৌজার বাসিন্দা আমিনুর ইসলাম বলেন, আমার ৭৫ শতাংশ জমির খাজনা রসিদ কেটে নিতে ছয় মাস ঘুরেছি। ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম ২ লাখ টাকা চেয়েছেন। পরে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় রাজি করিয়েছি। পুরো টাকা দিলেও রশিদে লিখেছেন মাত্র ১ হাজার ৬০০ টাকা।
একই গ্রামের মনিরুজ্জামান বিটুল বলেন, আমার এক একর জমির খাজনা বাবদ ৭৩২ টাকার রসিদ দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নিয়েছেন নুর আলম।
পিয়াজীপাড়ার বাসিন্দা প্রবাসী সিদ্দিকুর রহমান ঠাকুরগঞ্জ মৌজায় তার ৩৫ বিঘা জমির নাম খারিজ করতে এক মাস আগে ভূমি অফিসে যান। সিদ্দিক বলেন, ‘নামজারির জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম খরচ বাবদ বিঘাপ্রতি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চেয়েছেন। আমি তাঁর কাছে অনেকবার গিয়েছি। আমি এই টাকাও দিতে পারতাছি না। আমার নামজারিও হইতাছে না।’
স্থানীয় দলিল লেখক সুমন ইসলাম বলেন, তহসিলদার প্রকাশ্যেই বলেন, ‘টাকা খরচ করে এখানে এসেছি। টাকা না নিলে তো চলতে পারব না। ওপরেও তো কমিশন দিতে হয়।’ তিনি বলেন, আমি আজকে (সোমবার) খাজনা বাবদ ১০ হাজার টাকা দিয়েছি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুরকে। তিনি খাজনা রসিদ দিয়েছেন ৩ হাজার ৯০০ টাকার।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, নুর আলমের ঘুষবাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ও তাঁর নিয়োজিত দালাল কর্মচারী সিন্ডিকেটের উৎপাতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গোটা ভূমি অফিস হয়ে উঠেছে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। এ ছাড়া এই ভূমি কর্মকর্তা কাগজ দেখে খাজনা আদায় করেন না। যাচ্ছেতাই আচরণ করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলম বলেন, ‘কারও কাছে বাড়তি কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি। একদম মিথ্যা অভিযোগ এটা। কেউ টাকা দেওয়ার কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নুর আলমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২০ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৯ মিনিট আগে