নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে পরীক্ষার দুই দিন আগে প্রশ্ন দিয়ে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজীনা শাহরীন উপজেলা একাডেমির সুপারভাইজার জোসনা বেগমকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজীনা শাহরীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর ভাই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
ইউএনও তানজীনা শাহরীন বলেন, ‘পরীক্ষার দুই দিন আগে প্রশ্ন দিয়ে ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক সুহেল মিয়ার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একাডেমির সুপারভাইজারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানির মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, মদন উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের চৌধুরী তালে হোসেন মিছিলজান একাডেমির প্রধান শিক্ষক সুহেল মিয়া এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার দুই দিন আগে এক ছাত্রীর ইমো নম্বরে প্রশ্নপত্র পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। প্রশ্নের বিনিময়ে ওই ছাত্রীকে তিনি কু-প্রস্তাব দেন বলে জানা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বড় ভাই গত রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ নিয়ে দৈনিক আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার ইউএনও তানজিনা শাহরীন অভিযোগটি তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাডেমির সুপারভাইজারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

নেত্রকোনার মদনে পরীক্ষার দুই দিন আগে প্রশ্ন দিয়ে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজীনা শাহরীন উপজেলা একাডেমির সুপারভাইজার জোসনা বেগমকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজীনা শাহরীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর ভাই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
ইউএনও তানজীনা শাহরীন বলেন, ‘পরীক্ষার দুই দিন আগে প্রশ্ন দিয়ে ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক সুহেল মিয়ার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একাডেমির সুপারভাইজারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানির মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, মদন উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের চৌধুরী তালে হোসেন মিছিলজান একাডেমির প্রধান শিক্ষক সুহেল মিয়া এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার দুই দিন আগে এক ছাত্রীর ইমো নম্বরে প্রশ্নপত্র পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। প্রশ্নের বিনিময়ে ওই ছাত্রীকে তিনি কু-প্রস্তাব দেন বলে জানা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বড় ভাই গত রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ নিয়ে দৈনিক আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার ইউএনও তানজিনা শাহরীন অভিযোগটি তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাডেমির সুপারভাইজারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে