নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা ও তাঁর সহযোগীরা এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ শুক্রবার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের পাথরঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত ব্যবসায়ীর নাম জসীম উদ্দীন (৩৫)। তাঁর স্ত্রী নিশা আক্তারের দাবি, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব ফয়সাল আহমেদ খোকনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন হামলায় অংশ নেন।
জসীম উপজেলার পানুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজধানীভিত্তিক রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স আফিফ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করেন।
জসীমের স্ত্রী নিশা জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে যুবদল নেতা খোকন ও তাঁর সহযোগীরা জসীমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দেওয়ার তাঁরা ক্ষিপ্ত ছিলেন। জসীম পরিবার নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। আজ তিনি জুমার নামাজ শেষে বেলা আড়াইটার দিকে মোহনগঞ্জ বাজারে যান ইফতারি কিনতে। পাথরঘাটা এলাকায় ইফতারি কেনার সময় খোকনসহ অন্যরা অতর্কিত হামলা চালান। রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে জসীমকে গুরুতর জখম করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা পরে জসীমকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিশা বলেন, ‘জসীমের মাথায় রামদার গভীর কোপ লেগেছে। হাত-পা রড দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে। এ ছাড়া শরীরের অনেক জায়গায় রামদার কোপ লেগেছে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’
এ ব্যাপারে জানতে যুবদল নেতা খোকনের মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল বলেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা ও তাঁর সহযোগীরা এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ শুক্রবার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের পাথরঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত ব্যবসায়ীর নাম জসীম উদ্দীন (৩৫)। তাঁর স্ত্রী নিশা আক্তারের দাবি, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব ফয়সাল আহমেদ খোকনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন হামলায় অংশ নেন।
জসীম উপজেলার পানুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজধানীভিত্তিক রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স আফিফ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করেন।
জসীমের স্ত্রী নিশা জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে যুবদল নেতা খোকন ও তাঁর সহযোগীরা জসীমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দেওয়ার তাঁরা ক্ষিপ্ত ছিলেন। জসীম পরিবার নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। আজ তিনি জুমার নামাজ শেষে বেলা আড়াইটার দিকে মোহনগঞ্জ বাজারে যান ইফতারি কিনতে। পাথরঘাটা এলাকায় ইফতারি কেনার সময় খোকনসহ অন্যরা অতর্কিত হামলা চালান। রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে জসীমকে গুরুতর জখম করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা পরে জসীমকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিশা বলেন, ‘জসীমের মাথায় রামদার গভীর কোপ লেগেছে। হাত-পা রড দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলেছে। এ ছাড়া শরীরের অনেক জায়গায় রামদার কোপ লেগেছে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’
এ ব্যাপারে জানতে যুবদল নেতা খোকনের মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল বলেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে