নেত্রকোনা প্রতিনিধি

আজ নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে লেখকের নিজ জেলা নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে। হলুদ পোশাকে হিমু আর নীল শাড়িতে রুপাদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের সাতপাই নদীর পাড় থেকে শুরু হয়ে মুক্তারপাড়া মাঠের মুক্ত মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এরপর হিমু, রুপা চরিত্রের জনক, প্রিয় লেখকের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার।
হিমু পাঠক আড্ডা আয়োজিত এ জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান মোবাইলে উদ্বোধন করেন দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক যতীন সরকার। আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধক অধ্যাপক যতীন সরকার বলেন, হুমায়ূন আহমেদ স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক। তাঁর প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে প্রকাশিত হওয়ার পরেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। তাঁর লেখা আজও তরুণ সমাজের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার বলেন, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর উপন্যাসে একটি চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন, হিমু। প্রত্যেকের জীবন যেন হিমুর মতোই আনন্দময় হয় এই প্রত্যাশা করছি তাঁর জন্মদিনে।
পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি বলেন, নেত্রকোনা একটি আলোকিত জেলা। এখানে অনেক আলোকিত মানুষের জন্ম হয়েছে। হিমু পাঠক আড্ডার মধ্য দিয়ে নেত্রকোনায় আরও আলোকিত মানুষের জন্ম হবে।
জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান বলেন, হুমায়ূন আহমেদ নেত্রকোনার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। এমন কৃতি সন্তানকে জন্ম দিয়ে নেত্রকোনার মাটি ধন্য। তাঁকে স্মরণ করে এই আয়োজন করায় হিমু আড্ডাকে ধন্যবাদ জানাই।
জন্মদিনের হিমু ও রুপাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জেলা প্রশাসক কাজি মো. আব্দুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ মতীন্দ্র সরকার, জেলা পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি হায়দার জাহান চৌধুরী, কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, সুজনের সভাপতি স্বপন পাল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, হিমু আড্ডার পক্ষ থেকে সাংবাদিক কল্পনা আক্তার হুমায়ূন আহমেদের একটি ম্যুরাল নেত্রকোনায় স্থাপনের দাবি জানান। জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

আজ নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে লেখকের নিজ জেলা নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে। হলুদ পোশাকে হিমু আর নীল শাড়িতে রুপাদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের সাতপাই নদীর পাড় থেকে শুরু হয়ে মুক্তারপাড়া মাঠের মুক্ত মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এরপর হিমু, রুপা চরিত্রের জনক, প্রিয় লেখকের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার।
হিমু পাঠক আড্ডা আয়োজিত এ জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান মোবাইলে উদ্বোধন করেন দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক যতীন সরকার। আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধক অধ্যাপক যতীন সরকার বলেন, হুমায়ূন আহমেদ স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক। তাঁর প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে প্রকাশিত হওয়ার পরেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। তাঁর লেখা আজও তরুণ সমাজের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার বলেন, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর উপন্যাসে একটি চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন, হিমু। প্রত্যেকের জীবন যেন হিমুর মতোই আনন্দময় হয় এই প্রত্যাশা করছি তাঁর জন্মদিনে।
পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি বলেন, নেত্রকোনা একটি আলোকিত জেলা। এখানে অনেক আলোকিত মানুষের জন্ম হয়েছে। হিমু পাঠক আড্ডার মধ্য দিয়ে নেত্রকোনায় আরও আলোকিত মানুষের জন্ম হবে।
জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান বলেন, হুমায়ূন আহমেদ নেত্রকোনার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। এমন কৃতি সন্তানকে জন্ম দিয়ে নেত্রকোনার মাটি ধন্য। তাঁকে স্মরণ করে এই আয়োজন করায় হিমু আড্ডাকে ধন্যবাদ জানাই।
জন্মদিনের হিমু ও রুপাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন জেলা প্রশাসক কাজি মো. আব্দুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ মতীন্দ্র সরকার, জেলা পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনশি, পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি হায়দার জাহান চৌধুরী, কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, সুজনের সভাপতি স্বপন পাল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, হিমু আড্ডার পক্ষ থেকে সাংবাদিক কল্পনা আক্তার হুমায়ূন আহমেদের একটি ম্যুরাল নেত্রকোনায় স্থাপনের দাবি জানান। জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে