পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে পরিবারের ৬ সদস্যকে অচেতন করে লুটের অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একই পরিবারের ছয় সদস্যকে অচেতন করে মোবাইল, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার রাতে উপজেলার যশরা ইউনিয়নের কাঁঠালি ডিঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাড়ির সৌদিপ্রবাসী মালিক সিরাজুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থ অন্যরা হলেন সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী মল্লিকা আক্তার (৪৫), মেয়ে সুমি আক্তার (২১), সুমির স্বামী শরিফ আহম্মেদ (২৫), ছোট মেয়ে সোমা আক্তার (১৩) ও সিরাজুলের প্রতিবেশী লুৎফা আক্তার (৪০)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা দুপুরের খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। রাত ৩টার দিকে শিশু সন্তানের কান্নাকাটিতে মা সুমি আক্তার জাগলেও আবারও ঘুমিয়ে পড়েন। সে সময় ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
সিরাজুলের জামাতা শরিফ আহম্মেদ বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে বাসায় গিয়ে সবাইকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে খাবার খেয়ে আমিও ঘুমিয়ে পড়ি। ধারণা করছি দিনের যেকোনো সময় দুষ্কৃতকারীরা সুযোগ বুঝে পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে রাখে। ওই পানি পান করে পরিবারের সবাই অচেতন হয়ে পড়ে। এ সুযোগে রাতে বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে আলমারিতে রাখা জমি ক্রয়ের জন্য নগদ ১২ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে সবাইকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আমার শ্বশুরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’









