দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে উত্তোলিত ভেজা বালু পরিবহনের কারণে স্থানীয় সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাক দিয়ে পরিবহনের কারণে পৌর শহরের সড়কগুলো সব সময়ই কাদাপানিতে ভরে থাকে। ট্রাকে করে ভেজা বালু পরিবহনের সময় নদীর পানি সড়কের ওপর পড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছে।
দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা সোমেশ্বরী নদীটি একসময় ছিল অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। কিন্তু বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীটি বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে। সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের কোলঘেঁষা দুর্গাপুর পর্যটকের অপার সম্ভাবনাময়। কিন্তু বর্তমানে সড়কগুলোতে কাদা থাকায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ভ্রমণপিপাসুরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ইজারাকৃত বালুমহাল থেকে পৌর শহরের প্রেসক্লাব মোড়, উপজেলা মোড়, উকিলপাড়া, কালীবাড়ি মোড়, তৈরি বাজার, কলেজ মোড়সহ বেশ কিছু সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক, লরি ও ড্রামট্রাক দিয়ে ভেজা বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টিসহ কাদার স্তূপ তৈরি হচ্ছে। এসব মোড়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কমে গেছে বেচাকেনা। লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। দিনভর যান চলাচলের কারণে শত শত ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় যানজট তৈরি হচ্ছে।
এ নিয়ে বেশ কয়েকবার কিছু সংগঠনসহ সাধারণ মানুষ আন্দোলন সংগ্রাম করলেও কোনো লাভ হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন থেকে বারবার ভেজা বালু পরিবহন বন্ধের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। বালুবাহী ট্রাকের জন্য বাইপাস সড়কের আশ্বাস দিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল বালুর ব্যবসা করে ব্যাপকভাবে লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী ও সাধারণ মানুষ।
নিরাপদ সড়ক চাই দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল আলম বলেন, ‘ভেজা বালু পরিবহন বন্ধ, পৌর শহরের ভেতর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধসহ কয়েক দফা দাবি নিয়ে আমরা বেশ কয়েকবার মানববন্ধন করেছি। এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ফল পাইনি। প্রতিনিয়ত স্থানীয় জনগণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ পর্যটকেরা এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।’
এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভেজা বালু পরিবহন বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। বালুমহালের ইজারাদারদের ভেজা বালু পরিবহন বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে উত্তোলিত ভেজা বালু পরিবহনের কারণে স্থানীয় সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাক দিয়ে পরিবহনের কারণে পৌর শহরের সড়কগুলো সব সময়ই কাদাপানিতে ভরে থাকে। ট্রাকে করে ভেজা বালু পরিবহনের সময় নদীর পানি সড়কের ওপর পড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছে।
দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা সোমেশ্বরী নদীটি একসময় ছিল অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। কিন্তু বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীটি বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে। সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের কোলঘেঁষা দুর্গাপুর পর্যটকের অপার সম্ভাবনাময়। কিন্তু বর্তমানে সড়কগুলোতে কাদা থাকায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ভ্রমণপিপাসুরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ইজারাকৃত বালুমহাল থেকে পৌর শহরের প্রেসক্লাব মোড়, উপজেলা মোড়, উকিলপাড়া, কালীবাড়ি মোড়, তৈরি বাজার, কলেজ মোড়সহ বেশ কিছু সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক, লরি ও ড্রামট্রাক দিয়ে ভেজা বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে সড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টিসহ কাদার স্তূপ তৈরি হচ্ছে। এসব মোড়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কমে গেছে বেচাকেনা। লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। দিনভর যান চলাচলের কারণে শত শত ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় যানজট তৈরি হচ্ছে।
এ নিয়ে বেশ কয়েকবার কিছু সংগঠনসহ সাধারণ মানুষ আন্দোলন সংগ্রাম করলেও কোনো লাভ হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন থেকে বারবার ভেজা বালু পরিবহন বন্ধের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। বালুবাহী ট্রাকের জন্য বাইপাস সড়কের আশ্বাস দিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল বালুর ব্যবসা করে ব্যাপকভাবে লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী ও সাধারণ মানুষ।
নিরাপদ সড়ক চাই দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল আলম বলেন, ‘ভেজা বালু পরিবহন বন্ধ, পৌর শহরের ভেতর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধসহ কয়েক দফা দাবি নিয়ে আমরা বেশ কয়েকবার মানববন্ধন করেছি। এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ফল পাইনি। প্রতিনিয়ত স্থানীয় জনগণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ পর্যটকেরা এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।’
এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভেজা বালু পরিবহন বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। বালুমহালের ইজারাদারদের ভেজা বালু পরিবহন বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে