নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক চীনা নাগরিকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে পৌরসভার কমলপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাঁদের আটক করে। এ সময় দুই কিশোরী ও তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন চীনের নাগরিক লি ওই হাও (৩২) আর তাঁর সহযোগী মো. ফরিদুল ইসলাম (৩৪)। ফরিদুলের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিমপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দালাল ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় কেন্দুয়ার এক কিশোরীকে বিয়ে করেন চীনা নাগরিক লি ওই হাও। ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এ বিয়ে হয়। কিশোরী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তাকে ২০ সেপ্টেম্বর চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এ ছাড়া ওই কিশোরীর পরিবারকে ১ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখান লি। গতকাল রোববার কিশোরীকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে কেন্দুয়ায় আসেন লি। এ সময় তাঁর সঙ্গে সহযোগী ফরিদুল ইসলাম ছাড়াও জামালপুরের এক কিশোরী ও কেন্দুয়ার আরও এক তরুণী ছিলেন। এর মধ্যে জামালপুরের ওই কিশোরীকেও চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে লিয়ের আরও এক বন্ধু রাজধানীর একটি এলাকায় বিয়ে করেছেন। কেন্দুয়ার আরও এক তরুণীকেও চীনে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় লি ওই হাও এবং ফরিদুল ইসলামের কথাবার্তা ও আচরণে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা লির পাসপোর্ট নম্বর ও বাংলাদেশে অবস্থানের ব্যাপারে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু তাঁরা তা দেখাতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি মদন অস্থায়ী আর্মি ক্যাম্প ও কেন্দুয়া থানা-পুলিশকে জানানো হয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্য ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আজ ভোরে তাঁদের আটক করে। তাঁদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়। এ সময় দুই কিশোরী ও এক তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, লি ওই হাও ও ফরিদুল ইসলাম নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। ফরিদুল নিজেকে গার্মেন্টস কর্মী পরিচয় দিলেও তাঁর মোবাইল ফোন ঘেঁটে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য কিশোরীর ছবি, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, অর্থ লেনদেনের চ্যাটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলামত পাওয়া গেছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আটক দুজনের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক চীনা নাগরিকসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে পৌরসভার কমলপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাঁদের আটক করে। এ সময় দুই কিশোরী ও তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন চীনের নাগরিক লি ওই হাও (৩২) আর তাঁর সহযোগী মো. ফরিদুল ইসলাম (৩৪)। ফরিদুলের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিমপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দালাল ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় কেন্দুয়ার এক কিশোরীকে বিয়ে করেন চীনা নাগরিক লি ওই হাও। ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এ বিয়ে হয়। কিশোরী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তাকে ২০ সেপ্টেম্বর চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এ ছাড়া ওই কিশোরীর পরিবারকে ১ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখান লি। গতকাল রোববার কিশোরীকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে কেন্দুয়ায় আসেন লি। এ সময় তাঁর সঙ্গে সহযোগী ফরিদুল ইসলাম ছাড়াও জামালপুরের এক কিশোরী ও কেন্দুয়ার আরও এক তরুণী ছিলেন। এর মধ্যে জামালপুরের ওই কিশোরীকেও চীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে লিয়ের আরও এক বন্ধু রাজধানীর একটি এলাকায় বিয়ে করেছেন। কেন্দুয়ার আরও এক তরুণীকেও চীনে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় লি ওই হাও এবং ফরিদুল ইসলামের কথাবার্তা ও আচরণে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তাঁরা লির পাসপোর্ট নম্বর ও বাংলাদেশে অবস্থানের ব্যাপারে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু তাঁরা তা দেখাতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি মদন অস্থায়ী আর্মি ক্যাম্প ও কেন্দুয়া থানা-পুলিশকে জানানো হয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্য ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আজ ভোরে তাঁদের আটক করে। তাঁদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়। এ সময় দুই কিশোরী ও এক তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, লি ওই হাও ও ফরিদুল ইসলাম নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। ফরিদুল নিজেকে গার্মেন্টস কর্মী পরিচয় দিলেও তাঁর মোবাইল ফোন ঘেঁটে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য কিশোরীর ছবি, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, অর্থ লেনদেনের চ্যাটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলামত পাওয়া গেছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আটক দুজনের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে