প্রতিনিধি, মদন (নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার মদনে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে এক তরুণী অনশনে বসেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেছ মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন সৈকতের বাড়িতে অনশনে বসেন ওই তরুণী।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে সৈকতের সঙ্গে একই এলাকার ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দীর্ঘদিন প্রেম দেওয়া নেওয়ার পর ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ঢাকার নোটারি পাবলিক আদালতে কোট ম্যারেজ করেন তাঁরা। একই তারিখে নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করেন। ছেলের পরিবারের লোকজন তা মেনে না নেওয়ায় দুজনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন।
গত ৫ জুলাই ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় রেখে নিখোঁজ হয় দেলোয়ার হোসেন সৈকত। সন্ধান চেয়ে ওই তরুণী গত ১ আগস্ট ঢাকার ভাষানটেক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে ১৭ আগস্ট স্বামী দেলোয়ারের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অনশনে বসেন।
খবর পেয়ে সরেজমিন রুদ্রশী গ্রামে গেলে ওই তরুণী বলেন, দেলোয়ার হোসেন সৈকত আমার স্বামী। আমরা বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছি। স্বামীর পরিবারের লোকজন ষড়যন্ত্র করায় বাসা থেকে টাকা পয়সা নিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় সৈকত। আমার স্বামীর পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় এখানে আসার পর তাঁরা আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করছে। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে আমি এখানে আত্মহত্যা করব।
দেলোয়ার হোসেন সৈকতের বাবা বলেন, আমার ছেলে সৈকত ২০-২৫ দিন আগে সৌদি আরব চলে গেছে। যাওয়ার আগে মেয়েটিকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে ২০-২৫ দিন আগে দেশের বাইরে চলে গেছে আমি শুনেছি। যে মেয়েটি অনশনে বসেছে তার একটি তালাক নোটিশ কোট থেকে আমার পরিষদে এসেছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম জানান, তরুণীর অনশনের বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে জানান। ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ মুঠোফোনে জানান, আমি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলব বিষয়টি দেখার জন্য। তালাকের বিষয়ে তিনি বলেন, তালাক কার্যকরের ক্ষেত্রে ৯০ দিনে ৩টি নোটিশ প্রেরণ করতে হয়। এতে মেয়েটির ভরণ পোষণের বিষয় থাকে।

নেত্রকোনার মদনে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে এক তরুণী অনশনে বসেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেছ মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন সৈকতের বাড়িতে অনশনে বসেন ওই তরুণী।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে সৈকতের সঙ্গে একই এলাকার ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দীর্ঘদিন প্রেম দেওয়া নেওয়ার পর ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ঢাকার নোটারি পাবলিক আদালতে কোট ম্যারেজ করেন তাঁরা। একই তারিখে নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করেন। ছেলের পরিবারের লোকজন তা মেনে না নেওয়ায় দুজনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন।
গত ৫ জুলাই ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় রেখে নিখোঁজ হয় দেলোয়ার হোসেন সৈকত। সন্ধান চেয়ে ওই তরুণী গত ১ আগস্ট ঢাকার ভাষানটেক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে ১৭ আগস্ট স্বামী দেলোয়ারের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অনশনে বসেন।
খবর পেয়ে সরেজমিন রুদ্রশী গ্রামে গেলে ওই তরুণী বলেন, দেলোয়ার হোসেন সৈকত আমার স্বামী। আমরা বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছি। স্বামীর পরিবারের লোকজন ষড়যন্ত্র করায় বাসা থেকে টাকা পয়সা নিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় সৈকত। আমার স্বামীর পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় এখানে আসার পর তাঁরা আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করছে। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে আমি এখানে আত্মহত্যা করব।
দেলোয়ার হোসেন সৈকতের বাবা বলেন, আমার ছেলে সৈকত ২০-২৫ দিন আগে সৌদি আরব চলে গেছে। যাওয়ার আগে মেয়েটিকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, রুদ্রশ্রী গ্রামের হারেস মিয়ার ছেলে ২০-২৫ দিন আগে দেশের বাইরে চলে গেছে আমি শুনেছি। যে মেয়েটি অনশনে বসেছে তার একটি তালাক নোটিশ কোট থেকে আমার পরিষদে এসেছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম জানান, তরুণীর অনশনের বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে জানান। ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ মুঠোফোনে জানান, আমি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলব বিষয়টি দেখার জন্য। তালাকের বিষয়ে তিনি বলেন, তালাক কার্যকরের ক্ষেত্রে ৯০ দিনে ৩টি নোটিশ প্রেরণ করতে হয়। এতে মেয়েটির ভরণ পোষণের বিষয় থাকে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৯ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে