নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দুই সাংবাদিককে জিম্মি করে বেধড়ক মারধরের পর মুক্তিপণ আদায় করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গাজীপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে সড়কের পাশে তাঁদের ফেলে রেখে যায়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা হলেন, দৈনিক আমাদের সময়ের কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি রাখাল বিশ্বাস ও দৈনিক স্বদেশ সংবাদের একই উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন।
ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকায় সাংবাদিকতা বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। বিমানবন্দরের সামনে ময়মনসিংহগামী বাসে ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। এ সময় একটি মাইক্রোবাস এসে তাঁদের সামনে দাঁড়ায়। মাইক্রোবাসের চালক ও একজন যাত্রী জানান, তাঁরা মাইক্রোবাস নিয়ে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন। চাইলে টাকার বিনিময়ে তাঁরাও যেতে পারেন। এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে দুজন মাইক্রোবাসে ওঠেন। মাইক্রোবাসটি গাজীপুর এলাকায় আসার পর যাত্রীবেশী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তাঁদের জিম্মি করে ফেলে।
সাংবাদিকেরা বলেন, এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণের আংটি ও নগদ প্রায় ২৫ হাজার টাকা তারা নিয়ে নেয়। পরে তাঁদের চোখ ও হাত বেঁধে বেধড়ক মারধর করে বাড়িতে ফোন করে বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলে। নিরুপায় হয়ে তাঁরা স্বজনদের কাছে ফোন করে টাকা পাঠানোর অনুরোধ করেন। এভাবে প্রায় ১ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। রাত ৯টার দিকে তাঁদের রাস্তার পাশে ফেলে রেখে সন্ত্রাসীরা মাইক্রোবাস নিয়ে চলে যায়। পরে তাঁরা পাশের একটি সেনা ছাউনির সদস্যদের সহযোগিতায় বাসে ময়মনসিংহে ফিরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাখাল বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন অনেকটা সুস্থ আছি। তবে মারধরের কারণে শরীর ব্যথা এখনো কমেনি।’

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দুই সাংবাদিককে জিম্মি করে বেধড়ক মারধরের পর মুক্তিপণ আদায় করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গাজীপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে সড়কের পাশে তাঁদের ফেলে রেখে যায়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা হলেন, দৈনিক আমাদের সময়ের কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি রাখাল বিশ্বাস ও দৈনিক স্বদেশ সংবাদের একই উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন।
ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকায় সাংবাদিকতা বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। বিমানবন্দরের সামনে ময়মনসিংহগামী বাসে ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। এ সময় একটি মাইক্রোবাস এসে তাঁদের সামনে দাঁড়ায়। মাইক্রোবাসের চালক ও একজন যাত্রী জানান, তাঁরা মাইক্রোবাস নিয়ে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন। চাইলে টাকার বিনিময়ে তাঁরাও যেতে পারেন। এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে দুজন মাইক্রোবাসে ওঠেন। মাইক্রোবাসটি গাজীপুর এলাকায় আসার পর যাত্রীবেশী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তাঁদের জিম্মি করে ফেলে।
সাংবাদিকেরা বলেন, এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণের আংটি ও নগদ প্রায় ২৫ হাজার টাকা তারা নিয়ে নেয়। পরে তাঁদের চোখ ও হাত বেঁধে বেধড়ক মারধর করে বাড়িতে ফোন করে বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলে। নিরুপায় হয়ে তাঁরা স্বজনদের কাছে ফোন করে টাকা পাঠানোর অনুরোধ করেন। এভাবে প্রায় ১ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। রাত ৯টার দিকে তাঁদের রাস্তার পাশে ফেলে রেখে সন্ত্রাসীরা মাইক্রোবাস নিয়ে চলে যায়। পরে তাঁরা পাশের একটি সেনা ছাউনির সদস্যদের সহযোগিতায় বাসে ময়মনসিংহে ফিরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাখাল বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন অনেকটা সুস্থ আছি। তবে মারধরের কারণে শরীর ব্যথা এখনো কমেনি।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৪ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে