নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের পরদিন রঞ্জু মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বস্তাবন্দী ও রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নের দিয়ারগাড়ফা গ্রামের একটি ঘাসের জমি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামেরই সরপি প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, গতকাল রোববার সকাল থেকে রঞ্জু মিয়াকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে বাড়ির পাশের একটি ঘাসের জমিতে রক্তমাখা একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এসে ভেতরে থাকা লাশ উদ্ধার করে।
ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর লাশটি বস্তায় ভরে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে গেছে। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকার মানুষ।
নিহতের ভাই মজু প্রামাণিক বলেন, ‘আমার ভাই সহজ-সরল মানুষ ছিল, কারও কোনো ক্ষতি সে করেনি। ওর কোনো শত্রু ছিল বলেও আমাদের জানা নেই। কে বা কারা তাঁকে নৃশংসভাবে মারল, জানি না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।










