প্রতিনিধি, নাটোর

নাটোরে এক ভাইয়ের মৃত্যুশোক সইতে না পেরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন আরও দুই ভাই। তাঁদের দুজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং অন্যজন এক ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁরা হলেন নাটোর শহরের ঐতিহ্যবাহী বিসমিল্লাহ (পচুর) হোটেলের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম ওরফে পচু (৫৬), তাঁর বড় ভাই মো. বাবলু হোসেন (৭০) ও ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম (৪৬)। প্রথমে পচু, পচুর শোকে বাবলু ও পরে জাহাঙ্গীর মারা যান।
তিন ভাই শহরের ভবানীগঞ্জ মহল্লার মৃত আবদুর রশিদের ছেলে। একে একে তিন ভাইয়ের মৃত্যুতে নাটোর শহরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নাটোর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নান্নু শেখ জানান, বিসমিল্লাহ হোটেলের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম পচু গত রোববার করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে সেবা করার জন্য হাসপাতালে থাকা ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমও করোনায় সংক্রমিত হয়ে বুধবার একই হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে শরিফুল ইসলামকেও আইসিইউতে নেওয়া হয়। শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে শরিফুল ইসলাম মারা যান। ভোর ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পরপরই বড় ভাই মো. বাবলু হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। জুমার নামাজের পর পৌর গাড়িখানা কবরস্থানে দুই ভাইয়ের দাফন অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯টার দিকে রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমেরও মৃত্যু হয়।
শরিফুল ইসলামের ছেলে লিটন ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, পরিবারে তাঁর বাবাই সবার বিপদে–আপদে এগিয়ে আসতেন। এলাকায়ও মানুষের পাশে দাঁড়াতেন অকৃপণ চিত্তে। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাই সহ্য করতে পারেননি। সঙ্গে সঙ্গে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। ছোট চাচাও বাবা অসুস্থ হলে তাঁর সেবা করতে গিয়ে অকালে চলে গেলেন। একই দিনে একজন একজন করে বাবা-চাচাকে হারিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছি।

নাটোরে এক ভাইয়ের মৃত্যুশোক সইতে না পেরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন আরও দুই ভাই। তাঁদের দুজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং অন্যজন এক ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁরা হলেন নাটোর শহরের ঐতিহ্যবাহী বিসমিল্লাহ (পচুর) হোটেলের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম ওরফে পচু (৫৬), তাঁর বড় ভাই মো. বাবলু হোসেন (৭০) ও ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম (৪৬)। প্রথমে পচু, পচুর শোকে বাবলু ও পরে জাহাঙ্গীর মারা যান।
তিন ভাই শহরের ভবানীগঞ্জ মহল্লার মৃত আবদুর রশিদের ছেলে। একে একে তিন ভাইয়ের মৃত্যুতে নাটোর শহরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নাটোর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নান্নু শেখ জানান, বিসমিল্লাহ হোটেলের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম পচু গত রোববার করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে সেবা করার জন্য হাসপাতালে থাকা ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমও করোনায় সংক্রমিত হয়ে বুধবার একই হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে শরিফুল ইসলামকেও আইসিইউতে নেওয়া হয়। শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে শরিফুল ইসলাম মারা যান। ভোর ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পরপরই বড় ভাই মো. বাবলু হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। জুমার নামাজের পর পৌর গাড়িখানা কবরস্থানে দুই ভাইয়ের দাফন অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯টার দিকে রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমেরও মৃত্যু হয়।
শরিফুল ইসলামের ছেলে লিটন ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, পরিবারে তাঁর বাবাই সবার বিপদে–আপদে এগিয়ে আসতেন। এলাকায়ও মানুষের পাশে দাঁড়াতেন অকৃপণ চিত্তে। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাই সহ্য করতে পারেননি। সঙ্গে সঙ্গে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। ছোট চাচাও বাবা অসুস্থ হলে তাঁর সেবা করতে গিয়ে অকালে চলে গেলেন। একই দিনে একজন একজন করে বাবা-চাচাকে হারিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে