নাটোর প্রতিনিধি

শোকের মাস আগস্টের প্রথম দিনে নাটোরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত তোরণে থাকা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছ দুর্বৃত্তরা। একই সময়ে সড়ক বিভাজক ও সদর থানার সামনে লাগানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত জাতীয় মৎস্য দিবসের প্লাকার্ডও উপড়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।
গতকাল বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে নাটোর শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মিত শোক দিবসের তোরণের ব্যানার ছঁড়ে ফেল দুর্বৃত্তরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৯ জুলাই রাতে নাটোর শহরের স্বাধীনতা চত্বর থেকে বনবেলঘড়িয়া বাইপাস পর্যন্ত সড়ক বিভাজকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত জাতীয় মৎস্য দিবসের প্লাকার্ড বসানো হয়।
অন্যদিকে ৩১ জুলাই দুপুরে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের নামে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শোক দিবসের একটি তোরণ নির্মাণ করা হয়। বুধবার রাতের কোনো এক সময় প্লাকার্ড উপড়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এ সময় শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছে শোক দিবসের তোরণের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে তারা।
তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. আবুল কালাম আজাদ জানান, দেশে বর্তমানে অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজমান। তিনি আশঙ্কা করছেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শোকের মাস শুরু হলেই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে সেই জিঘাংসা চরিতার্থ করেছে তারা। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমন বলেন, জাতীয় শোক দিবসের তোরণ ছিঁড়ে নষ্ট করার ধৃষ্টতা যারা দেখিয়েছে, তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনা হবে।

শোকের মাস আগস্টের প্রথম দিনে নাটোরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত তোরণে থাকা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছ দুর্বৃত্তরা। একই সময়ে সড়ক বিভাজক ও সদর থানার সামনে লাগানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত জাতীয় মৎস্য দিবসের প্লাকার্ডও উপড়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।
গতকাল বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে নাটোর শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মিত শোক দিবসের তোরণের ব্যানার ছঁড়ে ফেল দুর্বৃত্তরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৯ জুলাই রাতে নাটোর শহরের স্বাধীনতা চত্বর থেকে বনবেলঘড়িয়া বাইপাস পর্যন্ত সড়ক বিভাজকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত জাতীয় মৎস্য দিবসের প্লাকার্ড বসানো হয়।
অন্যদিকে ৩১ জুলাই দুপুরে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের নামে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শোক দিবসের একটি তোরণ নির্মাণ করা হয়। বুধবার রাতের কোনো এক সময় প্লাকার্ড উপড়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এ সময় শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছে শোক দিবসের তোরণের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে তারা।
তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. আবুল কালাম আজাদ জানান, দেশে বর্তমানে অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজমান। তিনি আশঙ্কা করছেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শোকের মাস শুরু হলেই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে সেই জিঘাংসা চরিতার্থ করেছে তারা। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমন বলেন, জাতীয় শোক দিবসের তোরণ ছিঁড়ে নষ্ট করার ধৃষ্টতা যারা দেখিয়েছে, তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে