নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর পলাশে ২৪ দিন বয়সী সন্তানকে ‘সাপ’ ভেবে ডোবায় ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নবজাতকের নাম ইউসুফ মিয়া। সে কেন্দুয়াব গ্রামের মহসিন মিয়া (৩০) ও তানিয়া বেগম (২২) দম্পতির ছেলে। তানিয়া বেগমের পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, তানিয়া বেগম গর্ভধারণের পর থেকে পেটে সাপ রয়েছে বলে আতঙ্কে থাকতেন। পরে গর্ভধারণের সাত মাসের মাথায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করে পুত্র সন্তানের কথা জানতে পারেন। কিন্তু তার পরেও তাঁর সাপ আতঙ্ক কাটেনি। ২৪ দিন আগে একটি হাসপাতালে তানিয়ার ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। সন্তান জন্মের পরও নিজের সন্তানকে সাপ বলে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন তানিয়া। মঙ্গলবার বিকেলে একইভাবে আতঙ্কিত হয়ে নিজের সন্তানকে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেন তিনি। পরে বাড়িতে ফিরে সাপ ফেলে দিয়ে এসেছেন বলে স্বজনদের জানায়। এরপর স্বজনেরা ডোবা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
তানিয়া বেগমের স্বামী মহসিন মিয়া বলেন, ‘গর্ভধারণের পর থেকে হঠাৎ করে তানিয়া তার পেটে সাপ আছে বলে আতঙ্কিত থাকত। পরে সাত মাসের মাথায় হাসপাতালে পরীক্ষা করে আমাদের ছেলে সন্তানের বিষয়ে অবগত হই। ২৪ দিন আগে সিজারের মাধ্যমে আমাদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় তানিয়া। এরপরও সে নিজের সন্তানকে সাপ বলে আতঙ্কিত থাকত। তাঁর মানসিক সমস্যায় অনেকবার ডাক্তারও দেখিয়েছি। ডাক্তার বলেছিল সুস্থ হতে কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু সে যে এ রকম কাজ করবে তা ভাবিনি।’
এ ঘটনার বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘ঘটনার পর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তানিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

নরসিংদীর পলাশে ২৪ দিন বয়সী সন্তানকে ‘সাপ’ ভেবে ডোবায় ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নবজাতকের নাম ইউসুফ মিয়া। সে কেন্দুয়াব গ্রামের মহসিন মিয়া (৩০) ও তানিয়া বেগম (২২) দম্পতির ছেলে। তানিয়া বেগমের পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, তানিয়া বেগম গর্ভধারণের পর থেকে পেটে সাপ রয়েছে বলে আতঙ্কে থাকতেন। পরে গর্ভধারণের সাত মাসের মাথায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করে পুত্র সন্তানের কথা জানতে পারেন। কিন্তু তার পরেও তাঁর সাপ আতঙ্ক কাটেনি। ২৪ দিন আগে একটি হাসপাতালে তানিয়ার ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। সন্তান জন্মের পরও নিজের সন্তানকে সাপ বলে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন তানিয়া। মঙ্গলবার বিকেলে একইভাবে আতঙ্কিত হয়ে নিজের সন্তানকে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেন তিনি। পরে বাড়িতে ফিরে সাপ ফেলে দিয়ে এসেছেন বলে স্বজনদের জানায়। এরপর স্বজনেরা ডোবা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
তানিয়া বেগমের স্বামী মহসিন মিয়া বলেন, ‘গর্ভধারণের পর থেকে হঠাৎ করে তানিয়া তার পেটে সাপ আছে বলে আতঙ্কিত থাকত। পরে সাত মাসের মাথায় হাসপাতালে পরীক্ষা করে আমাদের ছেলে সন্তানের বিষয়ে অবগত হই। ২৪ দিন আগে সিজারের মাধ্যমে আমাদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় তানিয়া। এরপরও সে নিজের সন্তানকে সাপ বলে আতঙ্কিত থাকত। তাঁর মানসিক সমস্যায় অনেকবার ডাক্তারও দেখিয়েছি। ডাক্তার বলেছিল সুস্থ হতে কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু সে যে এ রকম কাজ করবে তা ভাবিনি।’
এ ঘটনার বিষয়ে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘ঘটনার পর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তানিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
৮ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
১৮ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
৪৩ মিনিট আগে