নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। আজ মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের নারায়ণগঞ্জ সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন—বন্দর ইউপি চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ (৫২), সাবেক সচিব শামীম মিয়া (৪৬), সাবেক সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ (৪৩)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সমন্বিত নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক। মামলার বাদী হয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনোয়ারুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত দুই সাবেক সচিবের যোগসাজশে জন্ম, মৃত্যু নিবন্ধনের ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এ ছাড়া একই ব্যক্তি দুইটি আইডি তৈরি করে একটির মাধ্যমে সনদ প্রদান ও অপরটির মাধ্যমে জাল জালিয়াতি করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও তাঁর দুই সাবেক সচিবের নামে মামলা দায়ের ও সমন পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে শামীম মিয়া বর্তমানে সোনারগাঁ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।’
এই বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন বলেন, ‘এই কাজ আমার সচিবরা করেছে। তাদের কারণে আমার ফেঁসে যেতে হয়েছে। আমি তাদের বিশ্বাস করেছিলাম যে তারা ঠিকমতো টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছে। অথচ তারা জাল স্লিপ এনে স্বাক্ষর নকল করে আমাকে দেখাত। এটা আমি ঠিকভাবে চেক করতে পারিনি এটুকুই আমার অপরাধ।’
চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আরও বলেন, ‘সচিব শামীম মিয়া যেভাবে জাল জালিয়াতি করেছে তা ঠিক একই ভাবে চালিয়ে নিয়েছে আরেক সচিব ইউসুফ। পরে যখন ইউসুফের বদলে আরেকজন সচিব এল তখন এসব প্রতারণা ধরতে পেরেছি। ইতিমধ্যে প্রতারণার মামলা ইউসুফ জেলও খেটেছে। আমার কাছে সব প্রমাণাদি আছে। আমি যথাস্থানে তা দাখিল করব।’

নারায়ণগঞ্জের বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদের বিরুদ্ধে ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। আজ মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের নারায়ণগঞ্জ সমন্বিত কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন—বন্দর ইউপি চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ (৫২), সাবেক সচিব শামীম মিয়া (৪৬), সাবেক সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ (৪৩)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সমন্বিত নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক। মামলার বাদী হয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনোয়ারুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত দুই সাবেক সচিবের যোগসাজশে জন্ম, মৃত্যু নিবন্ধনের ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এ ছাড়া একই ব্যক্তি দুইটি আইডি তৈরি করে একটির মাধ্যমে সনদ প্রদান ও অপরটির মাধ্যমে জাল জালিয়াতি করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও তাঁর দুই সাবেক সচিবের নামে মামলা দায়ের ও সমন পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে শামীম মিয়া বর্তমানে সোনারগাঁ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।’
এই বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন বলেন, ‘এই কাজ আমার সচিবরা করেছে। তাদের কারণে আমার ফেঁসে যেতে হয়েছে। আমি তাদের বিশ্বাস করেছিলাম যে তারা ঠিকমতো টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছে। অথচ তারা জাল স্লিপ এনে স্বাক্ষর নকল করে আমাকে দেখাত। এটা আমি ঠিকভাবে চেক করতে পারিনি এটুকুই আমার অপরাধ।’
চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আরও বলেন, ‘সচিব শামীম মিয়া যেভাবে জাল জালিয়াতি করেছে তা ঠিক একই ভাবে চালিয়ে নিয়েছে আরেক সচিব ইউসুফ। পরে যখন ইউসুফের বদলে আরেকজন সচিব এল তখন এসব প্রতারণা ধরতে পেরেছি। ইতিমধ্যে প্রতারণার মামলা ইউসুফ জেলও খেটেছে। আমার কাছে সব প্রমাণাদি আছে। আমি যথাস্থানে তা দাখিল করব।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে