নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দায় চককেশব নিম্ন মাধ্যমিক আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে ছাত্রীদের মারধর ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলটি বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেনসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাঁরা দায়িদের বিচার চান।
আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের চককেশব নিম্ন মাধ্যমিক আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্কুলটির বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে চককেশব এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুরুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন, আসমা খাতুন, আব্দুর রহিমসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে শ্রেণি কক্ষে অবৈধভাবে প্রবেশ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে শ্রেণি কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মারধর ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেন তারা। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্রী আহত হয়।
মানবন্ধনে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দাউদ খান, সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক আব্দুল মতিন, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহমানসহ হামলার শিকার বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকেরা। মানববন্ধনে এলাকার অন্তত তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
প্রধান শিক্ষক মো. দাউদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার দিন শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনই নয়, বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করেছে হামলাকারীরা। অনিয়মের অভিযোগে স্কুল থেকে বহিষ্কার করার কারণেই মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে ক্লাস চলাকালীন সময়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে আছে। স্কুলে আসতে ভয় পাচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। দ্রুত এই ঘটনার বিচার ও জড়িতদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হচ্ছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। ওই দিন আমি স্কুলে যাইনি। তবে শুনেছি সেদিন স্কুলে নাকি হট্টগোল হয়েছে।’
এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর করা অবশ্যই একটি অপরাধ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আইনগত ভাবে জড়িতদের শাস্তি হবে’।

নওগাঁর মান্দায় চককেশব নিম্ন মাধ্যমিক আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে ছাত্রীদের মারধর ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলটি বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেনসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাঁরা দায়িদের বিচার চান।
আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের চককেশব নিম্ন মাধ্যমিক আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্কুলটির বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে চককেশব এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুরুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন, আসমা খাতুন, আব্দুর রহিমসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে শ্রেণি কক্ষে অবৈধভাবে প্রবেশ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে শ্রেণি কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মারধর ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেন তারা। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্রী আহত হয়।
মানবন্ধনে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দাউদ খান, সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক আব্দুল মতিন, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহমানসহ হামলার শিকার বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকেরা। মানববন্ধনে এলাকার অন্তত তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
প্রধান শিক্ষক মো. দাউদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার দিন শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনই নয়, বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করেছে হামলাকারীরা। অনিয়মের অভিযোগে স্কুল থেকে বহিষ্কার করার কারণেই মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে ক্লাস চলাকালীন সময়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে আছে। স্কুলে আসতে ভয় পাচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। দ্রুত এই ঘটনার বিচার ও জড়িতদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত শিক্ষক মোজাফফর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হচ্ছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। ওই দিন আমি স্কুলে যাইনি। তবে শুনেছি সেদিন স্কুলে নাকি হট্টগোল হয়েছে।’
এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর করা অবশ্যই একটি অপরাধ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আইনগত ভাবে জড়িতদের শাস্তি হবে’।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে