নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মাঠে মাঠে নতুন ফসলের ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে আউশের পাকা ধান। এরই মধ্যে চাষিরা আউশ ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছেন। কদিনের মধ্যেই আউশের ধান-চালে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা। তাই আউশ ধানের পাকা সোনালি শিষ দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। হঠাৎ করেই নেমে গেলেন ধানের খেতে।
আজ রোববার সকালে নওগাঁ শহর থেকে তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার পথে গাড়িবহর থামিয়ে বেলা ১১টার দিকে মহাদেবপুর উপজেলার উত্তর গ্ৰাম এলাকায় আউশের ধানের মাঠে নেমে পরিদর্শন করেন।
ধানখেতের মধ্যে কিছুক্ষণ হেঁটে ঘুরে দেখেন পাকা ধানের ফলন। ফসল দেখে পুলকিত হোন মন্ত্রী। এ সময় তিনি মাঠে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে কথাও বলেন। চলতি আউশ ফসল ছাড়াও অন্যান্য চাষাবাদ ও গ্রামীণ অর্থনীতির খোঁজখবর নেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবিরসহ, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
চাষিরা জানান, এ বছর আউশ মৌসুম জুড়ে আবহাওয়ার বৈরিতা ছিল না। তাই অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলন ভালো হয়েছে। আবার বাজারে এই ধানের দামও মিলছে বেশ চড়া। সব মিলিয়ে এবার আউশে আশা পূরণ হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।
মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আউশের ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে বাজারে আউশ ধান উঠতে শুরু করেছে। বাজারে চালের দামও কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়াও সরকার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আউশ চাষের জন্য সরকার ব্যাপক কৃষি প্রণোদনা দিয়েছে কৃষকদের। কৃষকেরা যে আশা নিয়ে আউশ চাষাবাদ করেছিলেন তাঁদের সেই আশা পূরণ হবে। বাজারে ধানের দামও ভালো রয়েছে। কৃষকেরা লাভবান হবেন।
ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চালের যথেষ্ট মজুত আছে। অযথা দাম বাড়িয়ে বেশি মুনাফা লাভের আশায় বাজার অস্থিতিশীলতা তৈরি করবেন না।

নওগাঁর মাঠে মাঠে নতুন ফসলের ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে আউশের পাকা ধান। এরই মধ্যে চাষিরা আউশ ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছেন। কদিনের মধ্যেই আউশের ধান-চালে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা। তাই আউশ ধানের পাকা সোনালি শিষ দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। হঠাৎ করেই নেমে গেলেন ধানের খেতে।
আজ রোববার সকালে নওগাঁ শহর থেকে তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার পথে গাড়িবহর থামিয়ে বেলা ১১টার দিকে মহাদেবপুর উপজেলার উত্তর গ্ৰাম এলাকায় আউশের ধানের মাঠে নেমে পরিদর্শন করেন।
ধানখেতের মধ্যে কিছুক্ষণ হেঁটে ঘুরে দেখেন পাকা ধানের ফলন। ফসল দেখে পুলকিত হোন মন্ত্রী। এ সময় তিনি মাঠে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে কথাও বলেন। চলতি আউশ ফসল ছাড়াও অন্যান্য চাষাবাদ ও গ্রামীণ অর্থনীতির খোঁজখবর নেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবিরসহ, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
চাষিরা জানান, এ বছর আউশ মৌসুম জুড়ে আবহাওয়ার বৈরিতা ছিল না। তাই অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলন ভালো হয়েছে। আবার বাজারে এই ধানের দামও মিলছে বেশ চড়া। সব মিলিয়ে এবার আউশে আশা পূরণ হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।
মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আউশের ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে বাজারে আউশ ধান উঠতে শুরু করেছে। বাজারে চালের দামও কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়াও সরকার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আউশ চাষের জন্য সরকার ব্যাপক কৃষি প্রণোদনা দিয়েছে কৃষকদের। কৃষকেরা যে আশা নিয়ে আউশ চাষাবাদ করেছিলেন তাঁদের সেই আশা পূরণ হবে। বাজারে ধানের দামও ভালো রয়েছে। কৃষকেরা লাভবান হবেন।
ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, চালের যথেষ্ট মজুত আছে। অযথা দাম বাড়িয়ে বেশি মুনাফা লাভের আশায় বাজার অস্থিতিশীলতা তৈরি করবেন না।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে