লালমনিরহাট প্রতিনিধি

মহান স্বাধীনতা দিবসে লালমনিরহাটে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার ইস্যুতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ডাকা সংবাদ সম্মেলন পণ্ড হয়ে গেছে। তবে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় লালমনিরহাট শহরের কলেজ রোডে বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মঞ্চে’ সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল এনসিপির। কিন্তু এর আগে সকাল ১০টায় একই ইস্যুতে সেখানে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মঞ্চে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ না পেয়ে এনসিপির কর্মীরা বেলা দেড়টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন। সেখানেও তাঁদের সংবাদ সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) রাসেল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার প্রতিবাদে আমরা সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু চিহ্নিত কিছু দুষ্কৃতকারীর কারণে তা করতে পারিনি।’
রাসেল অভিযোগ করেন, ‘আমাকে ও আমাদের দলের কর্মীদের অনেককে গলা ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। আমাদের চরমভাবে অপমান করা হয়েছে।’ বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার বিষয়ে এনসিপি কিছুই জানত না। যারা এ কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আমাদের। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, লালমনিরহাটের এই ম্যুরালে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার গঠন, চরমপত্র পাঠ, একাত্তরের গণহত্যা, মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী, বিজয়ের উল্লাসে মুক্তিযোদ্ধারা, পতাকা হাতে হাতে বিজয়ে উচ্ছ্বসিত জনতা, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ও পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্মৃতিচিহ্ন ঢেকে দিয়ে চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে।’
রাসেল বলেন, ‘৭১ এবং ’২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে জাতিকে বিভাজিত করে আওয়ামী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ’৭১ কিংবা ’২৪ কখনো পরস্পরবিরোধী নয়।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লালমনিরহাট জেলা শাখার পক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না। এ বিষয়ে আমরা দাবিও করিনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ’৫২, ’৭১-এর সকল সত্য ইতিহাস অক্ষুণ্ন রেখে কিছু অংশ ঢেকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ম্যুরালটি স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বহন করে না। স্বৈরাচারের সকল চিহ্ন ও ম্যুরাল অপসারণ ছাত্র-জনতার দাবি ও গণ-আকাঙ্ক্ষা।’

মহান স্বাধীনতা দিবসে লালমনিরহাটে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার ইস্যুতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ডাকা সংবাদ সম্মেলন পণ্ড হয়ে গেছে। তবে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় লালমনিরহাট শহরের কলেজ রোডে বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মঞ্চে’ সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল এনসিপির। কিন্তু এর আগে সকাল ১০টায় একই ইস্যুতে সেখানে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মঞ্চে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ না পেয়ে এনসিপির কর্মীরা বেলা দেড়টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন। সেখানেও তাঁদের সংবাদ সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) রাসেল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার প্রতিবাদে আমরা সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু চিহ্নিত কিছু দুষ্কৃতকারীর কারণে তা করতে পারিনি।’
রাসেল অভিযোগ করেন, ‘আমাকে ও আমাদের দলের কর্মীদের অনেককে গলা ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। আমাদের চরমভাবে অপমান করা হয়েছে।’ বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার বিষয়ে এনসিপি কিছুই জানত না। যারা এ কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আমাদের। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, লালমনিরহাটের এই ম্যুরালে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার গঠন, চরমপত্র পাঠ, একাত্তরের গণহত্যা, মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী, বিজয়ের উল্লাসে মুক্তিযোদ্ধারা, পতাকা হাতে হাতে বিজয়ে উচ্ছ্বসিত জনতা, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ও পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্মৃতিচিহ্ন ঢেকে দিয়ে চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে।’
রাসেল বলেন, ‘৭১ এবং ’২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে জাতিকে বিভাজিত করে আওয়ামী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ’৭১ কিংবা ’২৪ কখনো পরস্পরবিরোধী নয়।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লালমনিরহাট জেলা শাখার পক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ঢেকে রাখার বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না। এ বিষয়ে আমরা দাবিও করিনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ’৫২, ’৭১-এর সকল সত্য ইতিহাস অক্ষুণ্ন রেখে কিছু অংশ ঢেকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ম্যুরালটি স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস বহন করে না। স্বৈরাচারের সকল চিহ্ন ও ম্যুরাল অপসারণ ছাত্র-জনতার দাবি ও গণ-আকাঙ্ক্ষা।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে