ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছেন পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে হাজারো নেতা-কর্মী। গাদাগাদি করে ট্রেনের ভেতরে ও ছাদে উঠে গেলেও সবার চোখে-মুখে শেখ হাসিনাকে দেখার উচ্ছ্বাস।
নেতা-কর্মীরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে একনজর দেখার পাশাপাশি তাঁর কথা শুনতে নিজ তাগিদেই তাঁরা এসেছেন। অনেকে ট্রেনের ওপর থেকে মই বেয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে সামান্য আঘাত পেলেও বলছেন—এর চাইতে সুখের অনুভূতি কিছু হতে পারে না।
আজ শনিবার বেলা ১১টার কিছু পরে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজ বাবেলের নেতৃত্বে বলাকা ট্রেনে আসেন নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে নান্দাইলের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের নেতৃত্বে ট্রেনে করে ময়মনসিংহ পৌঁছেছেন নেতা-কর্মীরা।
গফরগাঁও থেকে আসা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা নাজমুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবেল ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা ট্রেনে করে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এসেছি। আরও অনেকে ট্রেনে আসার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে আমরা বড় শোডাউন করে মাঠে প্রবেশ করব। অনেকে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে কিছুটা ব্যথা পেলেও আজকে আমাদের আনন্দের দিন।’
নান্দাইল থেকে ট্রেনে করে জনসভায় যোগ দিতে আসা ষাটোর্ধ্ব হাসেম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উন্নয়নের কৃতজ্ঞতা জানাতে এই বয়সে জনসভায় যোগ দিতে এসেছি। আমরা চাই এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসুক।’
নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নান্দাইল থেকে ৩০ হাজার মানুষ জনসভায় যোগ দিতে এসেছে। আমি কাউকে আসতে বলিনি, সবাই নিজ ইচ্ছায় এসেছে। কারণ নান্দাইলে এত উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ জীবনে কোনো দিন কল্পনাও করেনি। তাই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।’
গফরগাঁও আসনের সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় সবচেয়ে বেশি লোক আসে গফরগাঁও থেকে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। আমরা মিছিলে মিছিলে শহর কম্পিত করে জনসভায় যোগ দেব। যুবক-বৃদ্ধ-নারীসহ সব বয়সের মানুষ গফরগাঁও থেকে ময়মনসিংহে এসেছে। নেত্রীর উন্নয়নের জন্যই আজ মানুষ আওয়ামী লীগকে অনেক ভালোবাসে। মিছিলে অংশগ্রহণ তার প্রমাণ।’
এদিকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘জয়, শেখ হাসিনার জয়’ স্লোগানে মুখরিত পুরো ময়মনসিংহ নগরী। শনিবার সকাল ৯টা থেকেই নগরীর বিভিন্ন সড়কে নেতা-কর্মীদের মিছিল শুরু হয়। ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে বেলা ৩টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জায়গা নিয়ে শেখ হাসিনার নজরে আসতে আগে থেকেই নেতা-কর্মীরা মিছিল করে মাঠে প্রবেশ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছেন পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে হাজারো নেতা-কর্মী। গাদাগাদি করে ট্রেনের ভেতরে ও ছাদে উঠে গেলেও সবার চোখে-মুখে শেখ হাসিনাকে দেখার উচ্ছ্বাস।
নেতা-কর্মীরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে একনজর দেখার পাশাপাশি তাঁর কথা শুনতে নিজ তাগিদেই তাঁরা এসেছেন। অনেকে ট্রেনের ওপর থেকে মই বেয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে সামান্য আঘাত পেলেও বলছেন—এর চাইতে সুখের অনুভূতি কিছু হতে পারে না।
আজ শনিবার বেলা ১১টার কিছু পরে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজ বাবেলের নেতৃত্বে বলাকা ট্রেনে আসেন নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে নান্দাইলের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের নেতৃত্বে ট্রেনে করে ময়মনসিংহ পৌঁছেছেন নেতা-কর্মীরা।
গফরগাঁও থেকে আসা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা নাজমুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবেল ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা ট্রেনে করে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী এসেছি। আরও অনেকে ট্রেনে আসার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে আমরা বড় শোডাউন করে মাঠে প্রবেশ করব। অনেকে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে কিছুটা ব্যথা পেলেও আজকে আমাদের আনন্দের দিন।’
নান্দাইল থেকে ট্রেনে করে জনসভায় যোগ দিতে আসা ষাটোর্ধ্ব হাসেম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উন্নয়নের কৃতজ্ঞতা জানাতে এই বয়সে জনসভায় যোগ দিতে এসেছি। আমরা চাই এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসুক।’
নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নান্দাইল থেকে ৩০ হাজার মানুষ জনসভায় যোগ দিতে এসেছে। আমি কাউকে আসতে বলিনি, সবাই নিজ ইচ্ছায় এসেছে। কারণ নান্দাইলে এত উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ জীবনে কোনো দিন কল্পনাও করেনি। তাই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।’
গফরগাঁও আসনের সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় সবচেয়ে বেশি লোক আসে গফরগাঁও থেকে। এবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। আমরা মিছিলে মিছিলে শহর কম্পিত করে জনসভায় যোগ দেব। যুবক-বৃদ্ধ-নারীসহ সব বয়সের মানুষ গফরগাঁও থেকে ময়মনসিংহে এসেছে। নেত্রীর উন্নয়নের জন্যই আজ মানুষ আওয়ামী লীগকে অনেক ভালোবাসে। মিছিলে অংশগ্রহণ তার প্রমাণ।’
এদিকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘জয়, শেখ হাসিনার জয়’ স্লোগানে মুখরিত পুরো ময়মনসিংহ নগরী। শনিবার সকাল ৯টা থেকেই নগরীর বিভিন্ন সড়কে নেতা-কর্মীদের মিছিল শুরু হয়। ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে বেলা ৩টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জায়গা নিয়ে শেখ হাসিনার নজরে আসতে আগে থেকেই নেতা-কর্মীরা মিছিল করে মাঠে প্রবেশ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
৭ মিনিট আগে
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবউল্লাহ (১২) নামের এক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হাবিবউল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার
১ ঘণ্টা আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল আবারও স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
যশোর সরকারি এমএম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
১ ঘণ্টা আগে