গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৮৮ বছরের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শাবল দিয়ে গলায় আঘাত করে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাতনিকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নে ভালুকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধা ফুলজান ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ঝাড়-ফুঁক করতেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।
এ ঘটনায় সাবিকুন্নাহার (২৫) নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের তাঁরা মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা সম্পর্কে দাদি-নাতনি। এ ছাড়া পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় দুজনের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো ছিল। কেন এমনটি ঘটেছে এ বিষয়ে ধারণা করতে পারছেন না তারা।
নিহত ফুলজানের বড় ছেলে মজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাবিকুন্নাহার ও মা’র সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। মা ঝাড়-ফুঁক করতেন। আজ (সোমবার) পেট ব্যথার কথা বলে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় সাবিকুন্নাহার। দুপুরে লাঠিতে ভর দিয়ে তাদের বাড়িতে যায় মা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আড়াইটার দিকে প্রতিবেশীদের চিৎকারে জানতে পারি-সাবিকুন্নাহার লোহার শাবল দিয়ে মাকে ঘা দিয়েছে। তখন গিয়ে দেখি মায়ের ঘাড়ে তিনটি গর্ত। আর রক্ত পড়তেছে।’
তাঁর মার সঙ্গে সব সময় টাকা থাকত, টাকার জন্যও তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন ধারণা ছেলে মজিবুর রহমানের।
তবে অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহারের দাবি, ফুলজান তাদের ঘরে চুরি করতে গিয়েছিলেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার গলায় শাবলের ঘা লাগে।
দরাজ মিয়া নামে তাদের এক প্রতিবেশী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত অবস্থায় ফুলজানকে প্রথমে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।’
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহারকে আটক করা হয়েছে ও হত্যায় ব্যবহৃত শাবলটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।’

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৮৮ বছরের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শাবল দিয়ে গলায় আঘাত করে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাতনিকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নে ভালুকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধা ফুলজান ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ঝাড়-ফুঁক করতেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।
এ ঘটনায় সাবিকুন্নাহার (২৫) নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের তাঁরা মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা সম্পর্কে দাদি-নাতনি। এ ছাড়া পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় দুজনের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো ছিল। কেন এমনটি ঘটেছে এ বিষয়ে ধারণা করতে পারছেন না তারা।
নিহত ফুলজানের বড় ছেলে মজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাবিকুন্নাহার ও মা’র সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। মা ঝাড়-ফুঁক করতেন। আজ (সোমবার) পেট ব্যথার কথা বলে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় সাবিকুন্নাহার। দুপুরে লাঠিতে ভর দিয়ে তাদের বাড়িতে যায় মা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আড়াইটার দিকে প্রতিবেশীদের চিৎকারে জানতে পারি-সাবিকুন্নাহার লোহার শাবল দিয়ে মাকে ঘা দিয়েছে। তখন গিয়ে দেখি মায়ের ঘাড়ে তিনটি গর্ত। আর রক্ত পড়তেছে।’
তাঁর মার সঙ্গে সব সময় টাকা থাকত, টাকার জন্যও তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন ধারণা ছেলে মজিবুর রহমানের।
তবে অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহারের দাবি, ফুলজান তাদের ঘরে চুরি করতে গিয়েছিলেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার গলায় শাবলের ঘা লাগে।
দরাজ মিয়া নামে তাদের এক প্রতিবেশী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত অবস্থায় ফুলজানকে প্রথমে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।’
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহারকে আটক করা হয়েছে ও হত্যায় ব্যবহৃত শাবলটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে