ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।
এ আন্দোলনের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক ঘণ্টা আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
দুপুর একটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটিও আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে বিভিন্ন স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, এই আন্দোলন ’কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে পরিচালিত হচ্ছে। তারা বলছেন, তাদের মূল দাবিগুলো হলো—কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দশম গ্রেডের পদগুলো শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।

এছাড়াও, কোনো ডিপ্লোমাধারীরা যেন নামের পাশে ’কৃষিবিদ’ পদবি ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়েও তারা সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা তাদের পেশাগত সম্মান এবং অধিকার রক্ষা করতে চান।
রুবেল আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, "আমরা দীর্ঘ পাঁচ বছর পড়াশোনা করে এই ডিগ্রি অর্জন করি। অথচ ডিপ্লোমাধারীরা যদি আমাদের মতোই পদবি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আমাদের এই ডিগ্রির গুরুত্ব কোথায়? আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের দাবিগুলো মেনে নিক।"
সুমাইয়া আক্তার নামের শিক্ষার্থী জানান, "আমরা চাই না সাধারণ মানুষের কোনো দুর্ভোগ হোক। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো আদায়ের জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় আমাদের কাছে নেই। যদি সরকার আমাদের দাবিগুলো না মানে, তাহলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।"

তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।
এ আন্দোলনের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক ঘণ্টা আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
দুপুর একটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটিও আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে বিভিন্ন স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, এই আন্দোলন ’কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে পরিচালিত হচ্ছে। তারা বলছেন, তাদের মূল দাবিগুলো হলো—কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দশম গ্রেডের পদগুলো শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।

এছাড়াও, কোনো ডিপ্লোমাধারীরা যেন নামের পাশে ’কৃষিবিদ’ পদবি ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়েও তারা সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা তাদের পেশাগত সম্মান এবং অধিকার রক্ষা করতে চান।
রুবেল আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, "আমরা দীর্ঘ পাঁচ বছর পড়াশোনা করে এই ডিগ্রি অর্জন করি। অথচ ডিপ্লোমাধারীরা যদি আমাদের মতোই পদবি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আমাদের এই ডিগ্রির গুরুত্ব কোথায়? আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের দাবিগুলো মেনে নিক।"
সুমাইয়া আক্তার নামের শিক্ষার্থী জানান, "আমরা চাই না সাধারণ মানুষের কোনো দুর্ভোগ হোক। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো আদায়ের জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় আমাদের কাছে নেই। যদি সরকার আমাদের দাবিগুলো না মানে, তাহলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।"

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে