নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ থেকে

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) যাঁর ভোট কেবল তিনিই দিতে পারবেন। অন্য কেউ তাঁর হয়ে ভোট দিতে পারবেন না। এ ছাড়া, নগরবাসী ইভিএমে ভোট দিয়ে অভ্যস্ত। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁরা প্রার্থীদের এসব বিষয় বুঝিয়েছেন।
সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা জানেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রথম নির্বাচন ইভিএমে হয়েছিল। নগরবাসী ইভিএমে ভোট দিয়ে অভ্যস্ত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় আমরা প্রতিটি স্পটে ইভিএম প্রদর্শন করেছি। সবাইকে সচেতন করেছি।’
এই নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, ‘এখানে যে ইভিএম মেশিন আছে, তা একদম ফ্রেশ। আশা করি, কোনো সমস্যা নেই। যদি সমস্যা হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ইভিএম মেশিন রিপ্লেস করে দেব। আমরা প্রত্যেক প্রার্থীকে দেখিয়েছি যে, এক জায়গার ভোট আরেক জায়গায় যাবে না। আশা করছি, আগামীকাল ১২৮ কেন্দ্রে ভোটার উৎসাহে, নিরাপত্তার সঙ্গে ভোট দিতে পারবে।’
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে জানা গেছে, নগরীর ৩৩ ওয়ার্ডের ১২৮টি ভোট কেন্দ্রের ৯৯০ বুথে ভোট গ্রহণ হবে। এ জন্য দেড় হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।’
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এ জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্সের পাশাপাশি ৭ প্লাটুন বিজিবি, ১১ প্লাটুন পুলিশ, আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্য, ১৭ টিম র্যাব ছাড়াও ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৫ জন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) যাঁর ভোট কেবল তিনিই দিতে পারবেন। অন্য কেউ তাঁর হয়ে ভোট দিতে পারবেন না। এ ছাড়া, নগরবাসী ইভিএমে ভোট দিয়ে অভ্যস্ত। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁরা প্রার্থীদের এসব বিষয় বুঝিয়েছেন।
সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা জানেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রথম নির্বাচন ইভিএমে হয়েছিল। নগরবাসী ইভিএমে ভোট দিয়ে অভ্যস্ত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় আমরা প্রতিটি স্পটে ইভিএম প্রদর্শন করেছি। সবাইকে সচেতন করেছি।’
এই নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, ‘এখানে যে ইভিএম মেশিন আছে, তা একদম ফ্রেশ। আশা করি, কোনো সমস্যা নেই। যদি সমস্যা হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ইভিএম মেশিন রিপ্লেস করে দেব। আমরা প্রত্যেক প্রার্থীকে দেখিয়েছি যে, এক জায়গার ভোট আরেক জায়গায় যাবে না। আশা করছি, আগামীকাল ১২৮ কেন্দ্রে ভোটার উৎসাহে, নিরাপত্তার সঙ্গে ভোট দিতে পারবে।’
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে জানা গেছে, নগরীর ৩৩ ওয়ার্ডের ১২৮টি ভোট কেন্দ্রের ৯৯০ বুথে ভোট গ্রহণ হবে। এ জন্য দেড় হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।’
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এ জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্সের পাশাপাশি ৭ প্লাটুন বিজিবি, ১১ প্লাটুন পুলিশ, আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্য, ১৭ টিম র্যাব ছাড়াও ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৫ জন পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে