গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ছয় বছর ধরে বাঁশের খুঁটিতে ঝুলে আছে পিডিবির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। কিছুদিন হলো কয়েকটি বাঁশের খুঁটি ভেঙে তার পড়ে আছে ধানখেতে। কোথাও খুঁটি হেলে আছে, বাতাস এলে ভেঙে যাবে এমন অবস্থা। প্রাণহানির শঙ্কা নিয়ে বিদ্যুৎ লাইনের নিচে প্রতিদিন খেতে কাজ করেন কৃষকেরা। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার শালিহর গ্রামের পিচঢালা গ্রামীণ সড়কে নয়াপাড়া থেকে নিমতলী এলাকায়।
জানা গেছে, গৌরীপুর আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অধীনে পিডিবির এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। এই লাইনে গ্রাহকের ১৮০টি মিটার রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহীদ মিয়া (৬০) বলেন, ‘নয়াপাড়া জামে মসজিদসংলগ্ন পিডিবির খুঁটি থেকে নিমতলী বাজার এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এই বিদ্যুৎ লাইনে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশের খুঁটি। প্রায় ছয় বছর আগে এই লাইনটি স্থাপন করা হলেও অদ্যাবধি এতে সিমেন্টের খুঁটি দেওয়া হয়নি।’ পিডিবি কর্তৃপক্ষের কাছে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপনের আবেদন করা হলে এ ক্ষেত্রে টাকা দাবি করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আরেক বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ লিটন (৩২) বলেন, ‘এ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের নিচে ফসলের মাঠে স্থানীয় কৃষকদের প্রাণহানির শঙ্কা নিয়ে কৃষিকাজ করতে হয়। এর মধ্যে কয়েকজন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রাস্তায় চলাচলকারী পথচারীরা থাকেন আতঙ্কে। ঝড়-বৃষ্টির সময় মূল খুঁটি থেকে লাইন কেটে দেওয়া হয়। এ সময় দুর্ভোগে পোহাতে হয় গ্রাহকদের।’
নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘এই বিদ্যুৎ লাইনের সংস্কারের বিষয়ে স্থানীয় পিডিবি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। বাঁশের খুঁটি ভেঙে গেলে গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে তা পরিবর্তন করেন।’ এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এ লাইনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছেন তাঁরা।
উপজেলা আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি স্থাপন ও সংস্কারের কাজ চলছে। শালিহর এলাকায় পিডিবির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনটির অধিকাংশ খুঁটি স্থাপন ও সংস্কার হয়েছে।’ বাকি ঝুঁকিপূর্ণ লাইন প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

ছয় বছর ধরে বাঁশের খুঁটিতে ঝুলে আছে পিডিবির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। কিছুদিন হলো কয়েকটি বাঁশের খুঁটি ভেঙে তার পড়ে আছে ধানখেতে। কোথাও খুঁটি হেলে আছে, বাতাস এলে ভেঙে যাবে এমন অবস্থা। প্রাণহানির শঙ্কা নিয়ে বিদ্যুৎ লাইনের নিচে প্রতিদিন খেতে কাজ করেন কৃষকেরা। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার শালিহর গ্রামের পিচঢালা গ্রামীণ সড়কে নয়াপাড়া থেকে নিমতলী এলাকায়।
জানা গেছে, গৌরীপুর আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অধীনে পিডিবির এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। এই লাইনে গ্রাহকের ১৮০টি মিটার রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহীদ মিয়া (৬০) বলেন, ‘নয়াপাড়া জামে মসজিদসংলগ্ন পিডিবির খুঁটি থেকে নিমতলী বাজার এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এই বিদ্যুৎ লাইনে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশের খুঁটি। প্রায় ছয় বছর আগে এই লাইনটি স্থাপন করা হলেও অদ্যাবধি এতে সিমেন্টের খুঁটি দেওয়া হয়নি।’ পিডিবি কর্তৃপক্ষের কাছে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপনের আবেদন করা হলে এ ক্ষেত্রে টাকা দাবি করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আরেক বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ লিটন (৩২) বলেন, ‘এ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের নিচে ফসলের মাঠে স্থানীয় কৃষকদের প্রাণহানির শঙ্কা নিয়ে কৃষিকাজ করতে হয়। এর মধ্যে কয়েকজন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রাস্তায় চলাচলকারী পথচারীরা থাকেন আতঙ্কে। ঝড়-বৃষ্টির সময় মূল খুঁটি থেকে লাইন কেটে দেওয়া হয়। এ সময় দুর্ভোগে পোহাতে হয় গ্রাহকদের।’
নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘এই বিদ্যুৎ লাইনের সংস্কারের বিষয়ে স্থানীয় পিডিবি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। বাঁশের খুঁটি ভেঙে গেলে গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে তা পরিবর্তন করেন।’ এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এ লাইনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছেন তাঁরা।
উপজেলা আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি স্থাপন ও সংস্কারের কাজ চলছে। শালিহর এলাকায় পিডিবির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনটির অধিকাংশ খুঁটি স্থাপন ও সংস্কার হয়েছে।’ বাকি ঝুঁকিপূর্ণ লাইন প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে