গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো জমিদারবাড়িতে গড়ে ওঠা গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের হোস্টেলটি কেবল জরাজীর্ণই নয়, অদ্ভুত ভুতুড়ে পরিবেশের রূপ নিয়েছে। ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই এখানে বসবাস করছেন দূরদূরান্তের শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, দ্বিতল ভবনের নিচতলার একাংশে কলেজ ও অধ্যক্ষের কার্যালয়। বাকি অংশ ও দ্বিতীয় তলার পুরোটাই আগে ছিল হোস্টেল, এখন দ্বিতীয় তলায় মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী আছেন। করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হোস্টেলে ফিরতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এ যেন সাক্ষাৎ মৃত্যুর কাছে ফিরে আসা। দ্বিতীয়তলার কংক্রিটের বারান্দা ও মূল ভবনের কাঠের পাটাতনে জায়গায় জায়গায় ফাটল। দেয়ালের প্লাস্টার খসে যাচ্ছে। দরজা-জানালা ভাঙা। পাটাতন ও ছাদেও বার্ধক্যের চিহ্ন। জরাজীর্ণ বাথরুমের পাইপগুলো ভাঙা। গোসল করতে হয় নিচে নেমে টিউবওয়েলে। খাবারের পানির ব্যবস্থা নেই, আনতে হয় নিচ থেকে। কলেজ ছুটির পর পরিত্যক্ত জমিদারবাড়ির সুনসান নিস্তব্ধতা মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে ছড়িয়ে থাকে সর্বত্র।
জানা যায়, গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজটি ১৯৮১ সালে পরিত্যক্ত জমিদারবাড়িতে প্রতিষ্ঠা করা হয়। উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রি ও অনার্স মিলে ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী রয়েছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, বাংলা ও ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে অনার্স চালু রয়েছে। আরও কয়েকটি বিষয়ে অনার্স চালু প্রক্রিয়াধীন। অথচ শিক্ষার্থীদের থাকার নেই কোনো সুব্যবস্থা।
ইতিহাস বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী কবিতা আক্তার। বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার হলিদাকান্দা গ্রামে। তিনি এই হোস্টেলে দুই বছর যাবৎ থাকেন। কবিতা জানান, অনেক দূর থেকে তিনি এসেছেন। গৌরীপুরে কোনো আত্মীয়স্বজন নেই, তাই শত প্রতিকূলতার মাঝে অনেকটা বাধ্য হয়েই এখানে থাকতে হচ্ছে। তা ছাড়া মেয়ে হিসেবে বাইরের ভাড়া বাড়িতে একা থাকার চেয়ে হোস্টেলে থাকাটাই তিনি নিরাপদ মনে করেন।
মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী পিংকি আক্তার এসেছেন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাটগাঁও গ্রাম থেকে। সম্প্রতি তিনি হোস্টেলে উঠেছেন। অনেক আশা নিয়ে এসেছিলেন হোস্টেলে থেকে প্রচুর পড়াশোনা করবেন। এখন ভয় আর আতঙ্কে সময় কাটছে। হোস্টেলটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে। এমন ভুতুড়ে পরিবেশ হতে পারে তা তিনি কখনো কল্পনাও করতে পারেননি বলে জানান।
হোস্টেলের পরিচালক অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, ‘অনার্স লেভেলে অনেক দূরদূরান্তের শিক্ষার্থী রয়েছে কলেজে। তারা হোস্টেলে থাকতে আগ্রহী। কিন্তু জরাজীর্ণ ভবনে থাকতে ভয় পায়। কলেজের আর্থিক সামর্থ্য নেই নতুন হোস্টেল ভবন নির্মাণ বা এটা মেরামতের। চার-পাঁচ বছর আগেও হোস্টেলে ১৫০ জন ছাত্রী থাকত।'
গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন জানান, প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ভবনটি এখন ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। মেয়েরা অনেক কষ্টে এখানে থাকছে। কলেজের আর্থিক সামর্থ্য নেই নতুন ভবন নির্মাণের। তিনি সরকারি সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রাবন্ধিক ও গবেষক রণজিৎ কর জানান, ১৮০০ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বর্তমান গৌরীপুর মহিলা কলেজের হোস্টেল ভবনটি জমিদারবাড়ির অন্দরমহল হিসেবে নির্মাণ করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তাঁরা ভারতে চলে গেলে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল এটি। পরে মহিলা কলেজ করা হয়। এই ভবন এখন আর বসবাসের উপযোগী নয়।

প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো জমিদারবাড়িতে গড়ে ওঠা গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের হোস্টেলটি কেবল জরাজীর্ণই নয়, অদ্ভুত ভুতুড়ে পরিবেশের রূপ নিয়েছে। ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই এখানে বসবাস করছেন দূরদূরান্তের শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, দ্বিতল ভবনের নিচতলার একাংশে কলেজ ও অধ্যক্ষের কার্যালয়। বাকি অংশ ও দ্বিতীয় তলার পুরোটাই আগে ছিল হোস্টেল, এখন দ্বিতীয় তলায় মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী আছেন। করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর হোস্টেলে ফিরতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এ যেন সাক্ষাৎ মৃত্যুর কাছে ফিরে আসা। দ্বিতীয়তলার কংক্রিটের বারান্দা ও মূল ভবনের কাঠের পাটাতনে জায়গায় জায়গায় ফাটল। দেয়ালের প্লাস্টার খসে যাচ্ছে। দরজা-জানালা ভাঙা। পাটাতন ও ছাদেও বার্ধক্যের চিহ্ন। জরাজীর্ণ বাথরুমের পাইপগুলো ভাঙা। গোসল করতে হয় নিচে নেমে টিউবওয়েলে। খাবারের পানির ব্যবস্থা নেই, আনতে হয় নিচ থেকে। কলেজ ছুটির পর পরিত্যক্ত জমিদারবাড়ির সুনসান নিস্তব্ধতা মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে ছড়িয়ে থাকে সর্বত্র।
জানা যায়, গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজটি ১৯৮১ সালে পরিত্যক্ত জমিদারবাড়িতে প্রতিষ্ঠা করা হয়। উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রি ও অনার্স মিলে ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী রয়েছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, বাংলা ও ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে অনার্স চালু রয়েছে। আরও কয়েকটি বিষয়ে অনার্স চালু প্রক্রিয়াধীন। অথচ শিক্ষার্থীদের থাকার নেই কোনো সুব্যবস্থা।
ইতিহাস বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী কবিতা আক্তার। বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার হলিদাকান্দা গ্রামে। তিনি এই হোস্টেলে দুই বছর যাবৎ থাকেন। কবিতা জানান, অনেক দূর থেকে তিনি এসেছেন। গৌরীপুরে কোনো আত্মীয়স্বজন নেই, তাই শত প্রতিকূলতার মাঝে অনেকটা বাধ্য হয়েই এখানে থাকতে হচ্ছে। তা ছাড়া মেয়ে হিসেবে বাইরের ভাড়া বাড়িতে একা থাকার চেয়ে হোস্টেলে থাকাটাই তিনি নিরাপদ মনে করেন।
মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী পিংকি আক্তার এসেছেন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাটগাঁও গ্রাম থেকে। সম্প্রতি তিনি হোস্টেলে উঠেছেন। অনেক আশা নিয়ে এসেছিলেন হোস্টেলে থেকে প্রচুর পড়াশোনা করবেন। এখন ভয় আর আতঙ্কে সময় কাটছে। হোস্টেলটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে। এমন ভুতুড়ে পরিবেশ হতে পারে তা তিনি কখনো কল্পনাও করতে পারেননি বলে জানান।
হোস্টেলের পরিচালক অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, ‘অনার্স লেভেলে অনেক দূরদূরান্তের শিক্ষার্থী রয়েছে কলেজে। তারা হোস্টেলে থাকতে আগ্রহী। কিন্তু জরাজীর্ণ ভবনে থাকতে ভয় পায়। কলেজের আর্থিক সামর্থ্য নেই নতুন হোস্টেল ভবন নির্মাণ বা এটা মেরামতের। চার-পাঁচ বছর আগেও হোস্টেলে ১৫০ জন ছাত্রী থাকত।'
গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন জানান, প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ভবনটি এখন ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। মেয়েরা অনেক কষ্টে এখানে থাকছে। কলেজের আর্থিক সামর্থ্য নেই নতুন ভবন নির্মাণের। তিনি সরকারি সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রাবন্ধিক ও গবেষক রণজিৎ কর জানান, ১৮০০ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বর্তমান গৌরীপুর মহিলা কলেজের হোস্টেল ভবনটি জমিদারবাড়ির অন্দরমহল হিসেবে নির্মাণ করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তাঁরা ভারতে চলে গেলে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল এটি। পরে মহিলা কলেজ করা হয়। এই ভবন এখন আর বসবাসের উপযোগী নয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে