মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা আলোচনায় এ দাবি জানান। পরে বার্ষিক ফি কমানোর দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত রোববার বিকেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে কয়েক দফা তালাবদ্ধ করে রাখেন। ফিশারিজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক ফি ২২ হাজার ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ১৭ হাজার টাকা ধরা হয়। বার্ষিক ফি কমিয়ে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের জন্য তাঁরা এই আন্দোলন করেন।
ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ফি ৫ হাজার টাকা হলেও তাঁদের ফিশারিজ বিভাগের ফি ২২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করার জন্য তিন দিন ধরে আন্দোলন চলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অন্যান্য বিভাগের সেশন ফি ৫ হাজার টাকা হলেও আমাদের ফিশারিজ বিভাগের ফি এত বেশি ধরা হয়েছে। মূলত এই ফি কমানোর জন্যই আন্দোলন করা হয়েছে। আন্দোলনরত অবস্থায় প্রশাসনিক ভবন কয়েকবার তালাবদ্ধ করা হয়েছে।’
ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুস ছাত্তার বলেন, ‘ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ফি কমানোর জন্য আন্দোলন করে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ফিশারিজ বিভাগের খরচ বেশি। ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন সময় ভ্রমণে যেতে হয়। তাই ফিশারিজ বিভাগে খরচ বেশি হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের খরচ একটু বেশি হয়। শিক্ষার্থীরা ফি কমানোর দাবি জানালে তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া হয়।

জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা আলোচনায় এ দাবি জানান। পরে বার্ষিক ফি কমানোর দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত রোববার বিকেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে কয়েক দফা তালাবদ্ধ করে রাখেন। ফিশারিজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক ফি ২২ হাজার ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ১৭ হাজার টাকা ধরা হয়। বার্ষিক ফি কমিয়ে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের জন্য তাঁরা এই আন্দোলন করেন।
ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ফি ৫ হাজার টাকা হলেও তাঁদের ফিশারিজ বিভাগের ফি ২২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করার জন্য তিন দিন ধরে আন্দোলন চলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অন্যান্য বিভাগের সেশন ফি ৫ হাজার টাকা হলেও আমাদের ফিশারিজ বিভাগের ফি এত বেশি ধরা হয়েছে। মূলত এই ফি কমানোর জন্যই আন্দোলন করা হয়েছে। আন্দোলনরত অবস্থায় প্রশাসনিক ভবন কয়েকবার তালাবদ্ধ করা হয়েছে।’
ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুস ছাত্তার বলেন, ‘ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ফি কমানোর জন্য আন্দোলন করে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ফিশারিজ বিভাগের খরচ বেশি। ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন সময় ভ্রমণে যেতে হয়। তাই ফিশারিজ বিভাগে খরচ বেশি হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের খরচ একটু বেশি হয়। শিক্ষার্থীরা ফি কমানোর দাবি জানালে তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৮ মিনিট আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২৮ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩৪ মিনিট আগে