ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

বিদ্যালয়ের যাওয়ার পথে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় বখাটে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান এই সাজা দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম খোন্দকার আমিনুর রহমান ওরফে সোহাগ (২২)। তাঁর বাড়ি ঘিওরের পুখুরিয়া গ্রামে।
উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল চলাকালে আশপাশে আমিনুরসহ কয়েকজন আড্ডা দেন। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় ছাত্রীদের তাঁরা উত্ত্যক্ত করতেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন আমিনুর। এ সময় ওই ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করলে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। এরপর আমিনুরকে আটক করে এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে বেলা ১২টার দিকে ঘিওর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর আটক আমিনুরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এর পরপরই সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদুর রহমান। এরপর বেলা একটার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিচারক ওই যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, প্রায়ই বিদ্যালয় চলাকালে বখাটে ছেলেরা বিদ্যালয়ের আশপাশে আড্ডা দেয়। মেয়েরা স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় তারা উত্ত্যক্ত করে। আজ এক বখাটেকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় অন্যরা সাবধান হবে। এতে ইভটিজিং বা উত্ত্যক্তের ঘটনা কমে আসবে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও হামিদুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে কেউ উত্ত্যক্ত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হবে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং এলাকাবাসীদের সতর্ক থাকতে হবে।

বিদ্যালয়ের যাওয়ার পথে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় বখাটে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান এই সাজা দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম খোন্দকার আমিনুর রহমান ওরফে সোহাগ (২২)। তাঁর বাড়ি ঘিওরের পুখুরিয়া গ্রামে।
উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল চলাকালে আশপাশে আমিনুরসহ কয়েকজন আড্ডা দেন। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় ছাত্রীদের তাঁরা উত্ত্যক্ত করতেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন আমিনুর। এ সময় ওই ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করলে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। এরপর আমিনুরকে আটক করে এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে বেলা ১২টার দিকে ঘিওর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর আটক আমিনুরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এর পরপরই সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদুর রহমান। এরপর বেলা একটার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিচারক ওই যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, প্রায়ই বিদ্যালয় চলাকালে বখাটে ছেলেরা বিদ্যালয়ের আশপাশে আড্ডা দেয়। মেয়েরা স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় তারা উত্ত্যক্ত করে। আজ এক বখাটেকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় অন্যরা সাবধান হবে। এতে ইভটিজিং বা উত্ত্যক্তের ঘটনা কমে আসবে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও হামিদুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে কেউ উত্ত্যক্ত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হবে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং এলাকাবাসীদের সতর্ক থাকতে হবে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে