মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলপড়ুয়াদের পরীক্ষামূলক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান আজাদ নামের এক শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়ার মাধ্যমে এ টিকা কার্যক্রম শুরু হয়।
জেলা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) লুৎফর রহমান জানান, আজ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি বিদ্যালয়ের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১২০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। এরপর তাদের ১০ থেকে ১৪ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না সেটি দেখার জন্য।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, টিকা দেওয়া বিদ্যালয়গুলো হলো জেলা শহরের সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের ৫০ জন, সরকারি এস কে বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন, গড়পাড়া জাহিদ মালেক উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ জন এবং আঁটিগ্রাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ``প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছিলেন শিশুদের টিকা দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আজ থেকে আমরা টিকা কার্যক্রম শুরু করেছি। আর এটি হবে আমাদের একটি ‘টেস্ট রান’।'' তিনি বলেন, `আপনারা এর আগেও দেখেছেন কোনো টিকা দেওয়ার আগে টেস্ট রান করি। তারপর কিছুদিন আমরা সেটাকে পর্যবেক্ষণ করি, এরপর ফাইনাল কার্যক্রম শুরু করি। এবারের টেস্ট রানের জন্য মানিকগঞ্জকে বেছে নিয়েছি।'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, `আমরা প্রাথমিকভাবে চারটি বিদ্যালয়ের ১২ থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত ছেলেমেয়েদের বেছে নিয়েছি। তাদের ফাইজারের টিকা দেব। এরপর আমরা ১০ থেকে ১৪ দিনের শিশুদের পর্যবেক্ষণ করব, শিশুদের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না। পরে ঢাকায় আমরা বড় আকারে এই কার্যক্রম শুরু করতে পারব।'

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুলপড়ুয়াদের পরীক্ষামূলক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান আজাদ নামের এক শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়ার মাধ্যমে এ টিকা কার্যক্রম শুরু হয়।
জেলা সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) লুৎফর রহমান জানান, আজ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি বিদ্যালয়ের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১২০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। এরপর তাদের ১০ থেকে ১৪ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না সেটি দেখার জন্য।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, টিকা দেওয়া বিদ্যালয়গুলো হলো জেলা শহরের সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের ৫০ জন, সরকারি এস কে বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন, গড়পাড়া জাহিদ মালেক উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ জন এবং আঁটিগ্রাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ``প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছিলেন শিশুদের টিকা দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আজ থেকে আমরা টিকা কার্যক্রম শুরু করেছি। আর এটি হবে আমাদের একটি ‘টেস্ট রান’।'' তিনি বলেন, `আপনারা এর আগেও দেখেছেন কোনো টিকা দেওয়ার আগে টেস্ট রান করি। তারপর কিছুদিন আমরা সেটাকে পর্যবেক্ষণ করি, এরপর ফাইনাল কার্যক্রম শুরু করি। এবারের টেস্ট রানের জন্য মানিকগঞ্জকে বেছে নিয়েছি।'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, `আমরা প্রাথমিকভাবে চারটি বিদ্যালয়ের ১২ থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত ছেলেমেয়েদের বেছে নিয়েছি। তাদের ফাইজারের টিকা দেব। এরপর আমরা ১০ থেকে ১৪ দিনের শিশুদের পর্যবেক্ষণ করব, শিশুদের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কি না। পরে ঢাকায় আমরা বড় আকারে এই কার্যক্রম শুরু করতে পারব।'

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে