ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের ঘিওরে মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলে শাহজাহান মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতা মো. মইজুদ্দিন ও তাঁর ছেলে লিমনের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের পঞ্চরাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মারধরের শিকার শাহজাহান মিয়া। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকের চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মারধরের শিকার শাহজাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়ার কথা বলে মইজুদ্দিন আমাকে পঞ্চরাস্তার পশ্চিম পাশে তাঁর স’মিলে ডেকে আনেন। এ সময় তারা স’মিলের ভেতরে নিয়ে আমাকে বলে তুই আমার মেয়ের বিয়ে ভেঙে দিয়েছিস। তোকে আজ শিক্ষা দেব। আমি তখন বলি, আমি বিয়ে ভাঙি নাই। প্রমাণ দেন, যে কোনো শাস্তি মেনে নেব। আমার কথা শেষ করার আগেই মইজুদ্দিন কাঠের বাটাম দিয়ে আমাকে এলাপাতারি মারতে থাকে। এর সঙ্গে মইজুদ্দিনের ছেলে লিমন, তার ভাই মফিজুল ও ভাতিজা আমিরুল আমাকে এলোপাতারি লাথি, ঘুষি মারতে থাকে। আমার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’
ঘিওর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডা. জান্নাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাথায় ৯টি সেলাই করা হয়েছে। আঘাত গুরুতর।
এ ব্যাপারে জানতে মো. মইজুদ্দিনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রতিবেশী বলেন, মইজুদ্দিনের মেয়ের সম্প্রতি বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণ তা ভেঙে যায়। তখন মইজুদ্দিন এক কবিরাজের শরণাপন্ন হন। ওই কবিরাজ না কি বলেছে, তার মেয়ের বিয়ে ভেঙে দিচ্ছে শাহজাহান ও স্থানীয় আনোয়ার হোসেন (মইজুদ্দিনের দুরসম্পর্কের আত্মীয়) নামক দুই ব্যক্তি। এই রাগে মইজুদ্দিন শাহজাহানকে পিটিয়েছে।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলে শাহজাহান মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতা মো. মইজুদ্দিন ও তাঁর ছেলে লিমনের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের পঞ্চরাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মারধরের শিকার শাহজাহান মিয়া। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকের চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মারধরের শিকার শাহজাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়ার কথা বলে মইজুদ্দিন আমাকে পঞ্চরাস্তার পশ্চিম পাশে তাঁর স’মিলে ডেকে আনেন। এ সময় তারা স’মিলের ভেতরে নিয়ে আমাকে বলে তুই আমার মেয়ের বিয়ে ভেঙে দিয়েছিস। তোকে আজ শিক্ষা দেব। আমি তখন বলি, আমি বিয়ে ভাঙি নাই। প্রমাণ দেন, যে কোনো শাস্তি মেনে নেব। আমার কথা শেষ করার আগেই মইজুদ্দিন কাঠের বাটাম দিয়ে আমাকে এলাপাতারি মারতে থাকে। এর সঙ্গে মইজুদ্দিনের ছেলে লিমন, তার ভাই মফিজুল ও ভাতিজা আমিরুল আমাকে এলোপাতারি লাথি, ঘুষি মারতে থাকে। আমার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’
ঘিওর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডা. জান্নাত আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাথায় ৯টি সেলাই করা হয়েছে। আঘাত গুরুতর।
এ ব্যাপারে জানতে মো. মইজুদ্দিনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রতিবেশী বলেন, মইজুদ্দিনের মেয়ের সম্প্রতি বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণ তা ভেঙে যায়। তখন মইজুদ্দিন এক কবিরাজের শরণাপন্ন হন। ওই কবিরাজ না কি বলেছে, তার মেয়ের বিয়ে ভেঙে দিচ্ছে শাহজাহান ও স্থানীয় আনোয়ার হোসেন (মইজুদ্দিনের দুরসম্পর্কের আত্মীয়) নামক দুই ব্যক্তি। এই রাগে মইজুদ্দিন শাহজাহানকে পিটিয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে