হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এসব বালু চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে পদ্মাপাড়ের ফসলি জমি, বাড়িঘরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায় ড্রেজার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় নদীর পাড়ে রাখা হয়। সন্ধ্যার পর থেকেই সেই ড্রেজারে চলে বালু উত্তোলন। হরিরামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নই নদীভাঙনের কারণে এলাকার ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন ঠেকাতে প্রতিবছর বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়। অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে দাবি স্থানীয়দের।
জানতে চাইলে ড্রেজার মেশিনের চালক আবুল কালাম বলেন, ‘দিন দশেক আগে ড্রেজার নিয়ে এখানে এসেছি। তিন দিন যাবৎ বালু কাটছি। নদীর মাঝে চরের পাশ থেকে বালু কাটি। মোল্লা ফরিদ ও দুলাল সূত্রধর আমাদের এনেছে। গতকাল রাতেও সাত হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করেছি। মোল্লা ফরিদ ও দুলাল সূত্রধরের সঙ্গে প্রতি ঘনফুট বালু ৬০ পয়সা দরে কাটার চুক্তি হয়েছে।’
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোল্লা ফরিদ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দুলাল সূত্রধর গালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রামকৃষ্ণপুর গ্রামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘কয়েক দিন যাবৎ সন্ধ্যার পর থেকেই ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। আর দিনের বেলায় ড্রেজার এনে পাড়ে রাখা হয়।’
রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘এমনিতেই প্রতিবছর নদীতে ভাঙে। আমাদের নদীপারের মানুষের যে কী কষ্ট, তা তো ড্রেজারওয়ালারা বুঝবে না।’
বকচর গ্রামের কৃষক সফি বলেন, ‘সাত-আট দিন যাবৎ দিনের বেলায় ড্রেজার নদীর পাড়ে ভেড়ানো দেখি। শুনেছি সন্ধ্যার পরে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. ফরিদ মোল্লা। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের ড্রেজারের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র, মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না আমি জড়িত।’
অন্যদিকে গালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সূত্রধরও বিষয়টি অস্বীকার কলে বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের ড্রেজারের সঙ্গে জড়িত নই। এটি মিথ্যা অভিযোগ।’
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিছুদিন আগেও কাঞ্চনপুরের মালুচির ড্রেজার পাইপ ধ্বংস করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রামকৃষ্ণপুরের ড্রেজারের বিষয়টি জানতাম না। দ্রুতই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এসব বালু চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে পদ্মাপাড়ের ফসলি জমি, বাড়িঘরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায় ড্রেজার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় নদীর পাড়ে রাখা হয়। সন্ধ্যার পর থেকেই সেই ড্রেজারে চলে বালু উত্তোলন। হরিরামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নই নদীভাঙনের কারণে এলাকার ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন ঠেকাতে প্রতিবছর বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়। অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন আরও ত্বরান্বিত হবে বলে দাবি স্থানীয়দের।
জানতে চাইলে ড্রেজার মেশিনের চালক আবুল কালাম বলেন, ‘দিন দশেক আগে ড্রেজার নিয়ে এখানে এসেছি। তিন দিন যাবৎ বালু কাটছি। নদীর মাঝে চরের পাশ থেকে বালু কাটি। মোল্লা ফরিদ ও দুলাল সূত্রধর আমাদের এনেছে। গতকাল রাতেও সাত হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করেছি। মোল্লা ফরিদ ও দুলাল সূত্রধরের সঙ্গে প্রতি ঘনফুট বালু ৬০ পয়সা দরে কাটার চুক্তি হয়েছে।’
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোল্লা ফরিদ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দুলাল সূত্রধর গালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রামকৃষ্ণপুর গ্রামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘কয়েক দিন যাবৎ সন্ধ্যার পর থেকেই ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। আর দিনের বেলায় ড্রেজার এনে পাড়ে রাখা হয়।’
রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, ‘এমনিতেই প্রতিবছর নদীতে ভাঙে। আমাদের নদীপারের মানুষের যে কী কষ্ট, তা তো ড্রেজারওয়ালারা বুঝবে না।’
বকচর গ্রামের কৃষক সফি বলেন, ‘সাত-আট দিন যাবৎ দিনের বেলায় ড্রেজার নদীর পাড়ে ভেড়ানো দেখি। শুনেছি সন্ধ্যার পরে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. ফরিদ মোল্লা। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের ড্রেজারের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র, মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না আমি জড়িত।’
অন্যদিকে গালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সূত্রধরও বিষয়টি অস্বীকার কলে বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের ড্রেজারের সঙ্গে জড়িত নই। এটি মিথ্যা অভিযোগ।’
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিছুদিন আগেও কাঞ্চনপুরের মালুচির ড্রেজার পাইপ ধ্বংস করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রামকৃষ্ণপুরের ড্রেজারের বিষয়টি জানতাম না। দ্রুতই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৪ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে