সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই বোন শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে।
দুই বোন হলেন উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আশা মনি ও উম্মে সুলতানা উষা। তাঁরা ওই এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন ও রহিমা আক্তার দম্পতির সন্তান।
দুই বোনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বড় বোন আশা মনি উপজেলার জয়মণ্ডপ উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। এরপর তিনি সাভার রেডিও কলোনি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০০৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১০ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৪.৯০ পেয়ে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের ১৮তম ব্যাচের ছাত্রী হিসেবে সম্মান ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বর্তমানে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
অপরদিকে ছোট বোন উম্মে সুলতানা উষা জায়গীর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর সাভার রেডিও কলোনি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২০১১ সালে জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেন। সাভার মডেল কলেজ থেকে ২০১৩ সালে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের ছাত্রী হিসেবে সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশা মনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা-মায়ের সম্মান ভবিষ্যতে যাতে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি, সে জন্য সবার দোয়া চাই। আল্লাহ পাক সহায় হলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে চাই।’
আশা ও উষার বাবা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের সন্তানেরা আমাদের সবার মুখ উজ্জ্বল করেছে। আশা ও উষার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই বোন শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে।
দুই বোন হলেন উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আশা মনি ও উম্মে সুলতানা উষা। তাঁরা ওই এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন ও রহিমা আক্তার দম্পতির সন্তান।
দুই বোনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বড় বোন আশা মনি উপজেলার জয়মণ্ডপ উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। এরপর তিনি সাভার রেডিও কলোনি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০০৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১০ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৪.৯০ পেয়ে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের ১৮তম ব্যাচের ছাত্রী হিসেবে সম্মান ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বর্তমানে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
অপরদিকে ছোট বোন উম্মে সুলতানা উষা জায়গীর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর সাভার রেডিও কলোনি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে ২০১১ সালে জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেন। সাভার মডেল কলেজ থেকে ২০১৩ সালে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের ছাত্রী হিসেবে সম্মান ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশা মনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা-মায়ের সম্মান ভবিষ্যতে যাতে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি, সে জন্য সবার দোয়া চাই। আল্লাহ পাক সহায় হলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে চাই।’
আশা ও উষার বাবা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের সন্তানেরা আমাদের সবার মুখ উজ্জ্বল করেছে। আশা ও উষার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে