মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশে সরকারি হাসপাতালের পাশেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। হাসপাতালের গেটের সামনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক কী করে হয়? এমন মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ রোববার মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালের সামনে দালাল ভরে থাকে। হাসপাতাল থেকে রোগীদের বের করে ক্লিনিকে নিয়ে যান তারা। এতে রোগীরা বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে হবে। এ ছাড়া যথাসময়ে হাসপাতালে সবাই উপস্থিত থাকেন না। তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে মানুষের বিনা মূল্যে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারি হাসপাতালের পাশেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। হাসপাতালের গেটের সামনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক কি করে হয়? ডায়াগনস্টিক তো হাসপাতালেই ভেতরেই রয়েছে।
হাসপাতালের সামনে, পাশে যদি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক থাকে তাহলে সরকারি হাসপাতালের দরকার কী? এটা সারা বাংলাদেশের চিত্র। চিকিৎসাসেবা নিতে মানুষ কোথায় আসবে হাসপাতালে না কী ক্লিনিকে? এ জন্যই তো হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ভালো থাকে না, টেস্ট (স্বাস্থ্য পরীক্ষা) ভালো হয় না।’
এ সময় জেলা সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন, পৌর মেয়র রমজান আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুজন সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখেন ও রোগীদের খোঁজখবর নেন।

দেশে সরকারি হাসপাতালের পাশেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। হাসপাতালের গেটের সামনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক কী করে হয়? এমন মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ রোববার মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালের সামনে দালাল ভরে থাকে। হাসপাতাল থেকে রোগীদের বের করে ক্লিনিকে নিয়ে যান তারা। এতে রোগীরা বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে হবে। এ ছাড়া যথাসময়ে হাসপাতালে সবাই উপস্থিত থাকেন না। তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে মানুষের বিনা মূল্যে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারি হাসপাতালের পাশেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। হাসপাতালের গেটের সামনে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক কি করে হয়? ডায়াগনস্টিক তো হাসপাতালেই ভেতরেই রয়েছে।
হাসপাতালের সামনে, পাশে যদি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক থাকে তাহলে সরকারি হাসপাতালের দরকার কী? এটা সারা বাংলাদেশের চিত্র। চিকিৎসাসেবা নিতে মানুষ কোথায় আসবে হাসপাতালে না কী ক্লিনিকে? এ জন্যই তো হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ভালো থাকে না, টেস্ট (স্বাস্থ্য পরীক্ষা) ভালো হয় না।’
এ সময় জেলা সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন, পৌর মেয়র রমজান আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুজন সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখেন ও রোগীদের খোঁজখবর নেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে