ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

দক্ষতা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানা প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২২ অনুষ্ঠানে তাঁকে পিপিএম পদক দেওয়া হয়।
‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২২’ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অনুষ্ঠানে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২৩০ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ২০২০ ও ২০২১ পদক তুলে দেন। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন তানিয়া সুলতানা।
পুলিশ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তানিয়া সুলতানাকে (পিপিএম সাহসিকতা) পদক দেওয়া হয়। বিপিএম সাহসিকতা ও সেবা এবং পিপিএম সাহসিকতা ও সেবা; এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতি বছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। যাঁরা এ পদকে ভূষিত হন, তাঁদের নামের শেষে বিপিএম-পিপিএম উপাধি যুক্ত হয়।
তানিয়া সুলতানার জন্ম ময়মনসিংহ সদরে। মোহাম্মদ কাশেম আলী ও সাজেদা খাতুনের সন্তান তানিয়া। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। ৩১তম বিসিএস দিয়ে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে পুরস্কার পান তানিয়া সুলতানা। গত বছর পেয়েছিলেন জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানা বলেন, ‘পুলিশকে জনগণের বন্ধুতে পরিণত করতে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব। এই পদক আমার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়েও বেশি কাজ করার উৎসাহ জাগবে।’

দক্ষতা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) তানিয়া সুলতানা প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২২ অনুষ্ঠানে তাঁকে পিপিএম পদক দেওয়া হয়।
‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২২’ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অনুষ্ঠানে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২৩০ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ২০২০ ও ২০২১ পদক তুলে দেন। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন তানিয়া সুলতানা।
পুলিশ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য তানিয়া সুলতানাকে (পিপিএম সাহসিকতা) পদক দেওয়া হয়। বিপিএম সাহসিকতা ও সেবা এবং পিপিএম সাহসিকতা ও সেবা; এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতি বছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। যাঁরা এ পদকে ভূষিত হন, তাঁদের নামের শেষে বিপিএম-পিপিএম উপাধি যুক্ত হয়।
তানিয়া সুলতানার জন্ম ময়মনসিংহ সদরে। মোহাম্মদ কাশেম আলী ও সাজেদা খাতুনের সন্তান তানিয়া। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। ৩১তম বিসিএস দিয়ে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে পুরস্কার পান তানিয়া সুলতানা। গত বছর পেয়েছিলেন জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানা বলেন, ‘পুলিশকে জনগণের বন্ধুতে পরিণত করতে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব। এই পদক আমার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়েও বেশি কাজ করার উৎসাহ জাগবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে