সিঙ্গাইর ও হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা ঘরে থাকতে পারব’—এমনটা মনে করেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ঝিটকা বাজার দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মমতাজ বেগম বলেন, ‘আমরা নৌকার মানুষ, নৌকার বাইরে যাব না। নৌকার সঙ্গে থাকব। আমি কী হইলাম সেটা দেখার বিষয় না, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা ঘরে থাকতে পারব, শান্তিতে আমাদের ধর্ম পালন করতে পারব।’
শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক নেতা মন্তব্য করে মমতাজ বেগম বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) বিশ্বাস করেন আমাদের দেশটা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। আপনার ধর্ম যাতে সুন্দরভাবে পালন করতে পারেন, সে জন্য একে অপরের সহযোগিতা করব। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আপনাদের পাশে সব সময় ছিলাম, আছি এবং থাকব।’
মমতাজ বেগম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হবে, নাশকতা সৃষ্টি হবে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ছাত্রদল পূজার সময় মণ্ডপে মণ্ডপে চাঁদাবাজি করেছে। আর এখন আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেরা মণ্ডপ পাহারা দেয়। শুধু ছাত্রলীগ নয়, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সকলেই যার যার জায়গা থেকে এই শারদীয় দুর্গা উৎসবে অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহারা দিয়েছে। এর ফলে এ বছর সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালন সম্ভব হয়েছে।’
মণ্ডপে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজিম খান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার আদিত্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলজার হোসেন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আব্দুর রব, সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি নরেশ দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দিলীপ রায়সহ জেলা, জেলা-উপজেলার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা ঘরে থাকতে পারব’—এমনটা মনে করেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ঝিটকা বাজার দুর্গামন্দির পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মমতাজ বেগম বলেন, ‘আমরা নৌকার মানুষ, নৌকার বাইরে যাব না। নৌকার সঙ্গে থাকব। আমি কী হইলাম সেটা দেখার বিষয় না, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে আমরা ঘরে থাকতে পারব, শান্তিতে আমাদের ধর্ম পালন করতে পারব।’
শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক নেতা মন্তব্য করে মমতাজ বেগম বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) বিশ্বাস করেন আমাদের দেশটা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। আপনার ধর্ম যাতে সুন্দরভাবে পালন করতে পারেন, সে জন্য একে অপরের সহযোগিতা করব। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আপনাদের পাশে সব সময় ছিলাম, আছি এবং থাকব।’
মমতাজ বেগম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হবে, নাশকতা সৃষ্টি হবে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ছাত্রদল পূজার সময় মণ্ডপে মণ্ডপে চাঁদাবাজি করেছে। আর এখন আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেরা মণ্ডপ পাহারা দেয়। শুধু ছাত্রলীগ নয়, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সকলেই যার যার জায়গা থেকে এই শারদীয় দুর্গা উৎসবে অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহারা দিয়েছে। এর ফলে এ বছর সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালন সম্ভব হয়েছে।’
মণ্ডপে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজিম খান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার আদিত্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলজার হোসেন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আব্দুর রব, সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি নরেশ দাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দিলীপ রায়সহ জেলা, জেলা-উপজেলার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে