ঘিওর, (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঘিওর উপজেলাসহ মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে রুপচাঁদা বলে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা। অনেকটা রুপচাঁদার মত দেখতে, কিন্তু আসলে সেগুলো রুপচাঁদা নয়, 'পিরানহা'। এই মাছ সম্পর্কে মানুষের অপরিচিতির সুযোগ নিয়ে ধুমধামে রুপচাঁদার নামে বিক্রি হয় নিষিদ্ধ মাছ। রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ এই মাছ একশ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী অবাধে বিক্রি করলেও স্থানীয় মৎস্য বিভাগের নিয়মিত নজরদারি নেই। মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মুচলেকা কিংবা জরিমানা করা হলেও এরপরও চলতে থাকে এই মাছের ব্যবসা।
পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ রাক্ষুসে স্বভাবের। বাংলাদেশের জলজ পরিবেশের সঙ্গে এই মাছগুলোর খাদ্যচক্রের ভিন্নতা রয়েছে। এই রাক্ষুসে মাছ আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে ২০১৪ সালের জুন থেকে সরকার ও মৎস্য অধিদপ্তর পিরানহা মাছের পোনা উৎপাদন, চাষ, বংশ বৃদ্ধিকরণ, বাজারে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে।
জানা গেছে, কেল্লাই বাজার, তরা ভোর বাজার, বরংগাইল হাট, পুখুরিয়া ভোর বাজার, ঘিওর হাট, জাবরা হাট, সিংজুরী, বরটিয়া মাছ বাজারে হরহামেশাই বিক্রি হয় পিরানহা। বাজারে অন্য মাছের তুলনায় দামে কিছুটা কম হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এ মাছের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ক্রেতারা জানেন না, মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক এ মাছ। তাই বাজার থেকে নির্দ্বিধায় অনেকেই কিনছেন এসব মাছ।
শুক্রবার তরা বাজার ও পুখুরিয়া ভোর বাজারে পিরানহা বিক্রি করতে দেখা গেছে। নিষিদ্ধ এই পিরানহা কেন বিক্রি করেন জানতে চাইলে মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, ' আমরা আড়ৎ থেকে কিনে এনেছেন। আড়ৎ থেকে বলা হয়েছে এটা অস্ট্রেলিয়ান রুপচাঁদা। এই মাছ নিষিদ্ধ তিনি জানতেন না। এ ছাড়া এই মাছ নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকারক হলে, এই মাছ আর বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন।
গত বুধবার ঘিওর হাটে দুজন পিরানহা মাছ বিক্রেতা বলেন, 'মাছ খেয়ে ক্ষতি, না লাভ হয়, তা আমাদের দেখার বিষয় না। যে মাছ বিক্রিতে বেশি লাভ, আমরাতো সেই মাছই বিক্রি করব। তা ছাড়া এই মাছ যে নিষিদ্ধ তা তো কেউ কোনো দিন বলে নাই।'
সম্প্রতি উপজেলার বানিয়াজুরী বাজার থেকে পিরানহা মাছ কিনে ফিরছেন সৈয়দ আলী নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, 'মাছ বিক্রেতা বলেছে এগুলো পিরানহা না, অস্ট্রেলিয়ান রুপচাঁদা। বাজারের অন্যান্য মাছের তুলনায় এই মাছের দামও অনেকটা কম, তাই কিনলাম।
ঘিওর উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক রাম প্রসাদ সরকার দীপু বলেন, নিষিদ্ধ পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ কেনা বেচায় লোকজনকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। হাটবাজারে, গণমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা নিষিদ্ধ মাছ চাষ, বিক্রি ও সংরক্ষণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ঘিওর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন বলেন, পিরানহা মাছকে কেউ যাতে রুপচাঁদা মাছ বলে বিক্রি করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয়। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে প্রতিদিন প্রতি বাজারে পরিদর্শন সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে পিরানহা বিক্রির সময় কয়েকজন মৎস্য বিক্রেতা জরিমানা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে দেশে নিষিদ্ধ এই পিরানহা কেনা-বেচা থেকে বিরত থাকার আহবান জানান তিনি।

ঘিওর উপজেলাসহ মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারে রুপচাঁদা বলে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা। অনেকটা রুপচাঁদার মত দেখতে, কিন্তু আসলে সেগুলো রুপচাঁদা নয়, 'পিরানহা'। এই মাছ সম্পর্কে মানুষের অপরিচিতির সুযোগ নিয়ে ধুমধামে রুপচাঁদার নামে বিক্রি হয় নিষিদ্ধ মাছ। রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ এই মাছ একশ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী অবাধে বিক্রি করলেও স্থানীয় মৎস্য বিভাগের নিয়মিত নজরদারি নেই। মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মুচলেকা কিংবা জরিমানা করা হলেও এরপরও চলতে থাকে এই মাছের ব্যবসা।
পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ রাক্ষুসে স্বভাবের। বাংলাদেশের জলজ পরিবেশের সঙ্গে এই মাছগুলোর খাদ্যচক্রের ভিন্নতা রয়েছে। এই রাক্ষুসে মাছ আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে ২০১৪ সালের জুন থেকে সরকার ও মৎস্য অধিদপ্তর পিরানহা মাছের পোনা উৎপাদন, চাষ, বংশ বৃদ্ধিকরণ, বাজারে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে।
জানা গেছে, কেল্লাই বাজার, তরা ভোর বাজার, বরংগাইল হাট, পুখুরিয়া ভোর বাজার, ঘিওর হাট, জাবরা হাট, সিংজুরী, বরটিয়া মাছ বাজারে হরহামেশাই বিক্রি হয় পিরানহা। বাজারে অন্য মাছের তুলনায় দামে কিছুটা কম হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এ মাছের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ক্রেতারা জানেন না, মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক এ মাছ। তাই বাজার থেকে নির্দ্বিধায় অনেকেই কিনছেন এসব মাছ।
শুক্রবার তরা বাজার ও পুখুরিয়া ভোর বাজারে পিরানহা বিক্রি করতে দেখা গেছে। নিষিদ্ধ এই পিরানহা কেন বিক্রি করেন জানতে চাইলে মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, ' আমরা আড়ৎ থেকে কিনে এনেছেন। আড়ৎ থেকে বলা হয়েছে এটা অস্ট্রেলিয়ান রুপচাঁদা। এই মাছ নিষিদ্ধ তিনি জানতেন না। এ ছাড়া এই মাছ নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকারক হলে, এই মাছ আর বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন।
গত বুধবার ঘিওর হাটে দুজন পিরানহা মাছ বিক্রেতা বলেন, 'মাছ খেয়ে ক্ষতি, না লাভ হয়, তা আমাদের দেখার বিষয় না। যে মাছ বিক্রিতে বেশি লাভ, আমরাতো সেই মাছই বিক্রি করব। তা ছাড়া এই মাছ যে নিষিদ্ধ তা তো কেউ কোনো দিন বলে নাই।'
সম্প্রতি উপজেলার বানিয়াজুরী বাজার থেকে পিরানহা মাছ কিনে ফিরছেন সৈয়দ আলী নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, 'মাছ বিক্রেতা বলেছে এগুলো পিরানহা না, অস্ট্রেলিয়ান রুপচাঁদা। বাজারের অন্যান্য মাছের তুলনায় এই মাছের দামও অনেকটা কম, তাই কিনলাম।
ঘিওর উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক রাম প্রসাদ সরকার দীপু বলেন, নিষিদ্ধ পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ কেনা বেচায় লোকজনকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। হাটবাজারে, গণমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা নিষিদ্ধ মাছ চাষ, বিক্রি ও সংরক্ষণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ঘিওর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন বলেন, পিরানহা মাছকে কেউ যাতে রুপচাঁদা মাছ বলে বিক্রি করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয়। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে প্রতিদিন প্রতি বাজারে পরিদর্শন সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে পিরানহা বিক্রির সময় কয়েকজন মৎস্য বিক্রেতা জরিমানা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে দেশে নিষিদ্ধ এই পিরানহা কেনা-বেচা থেকে বিরত থাকার আহবান জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে