মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন (৬৭) নামে এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে সদর উপজেলার ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের ভাটবাউর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত চিকিৎসক মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান। তিনি মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করতেন।
মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, সার্জারি বিভাগের প্রধান এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি বাসভবন থেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে কর্মস্থল মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে আসছিলেন।
গাড়িটি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকায় আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন চিকিৎসক এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে আনা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হলে বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে জেনেছি ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসারত অবস্থায় ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গোলড়া হাইওয়ে পুলিশ দেখছেন।’
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুখেন্দু বসু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত গিয়ে ঘাতক বাসটি আটক করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে যায়। পরে বাস–প্রাইভেটকার দুটি থানায় আনা হয়েছে।’ এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হবে বলে জানান তিনি।

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন (৬৭) নামে এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে সদর উপজেলার ঢাকা–আরিচা মহাসড়কের ভাটবাউর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত চিকিৎসক মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান। তিনি মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করতেন।
মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, সার্জারি বিভাগের প্রধান এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি বাসভবন থেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে কর্মস্থল মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে আসছিলেন।
গাড়িটি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকায় আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন চিকিৎসক এ জেড এম সাখাওয়াত হোসেন।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে আনা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হলে বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে জেনেছি ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসারত অবস্থায় ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গোলড়া হাইওয়ে পুলিশ দেখছেন।’
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুখেন্দু বসু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর জানার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত গিয়ে ঘাতক বাসটি আটক করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে যায়। পরে বাস–প্রাইভেটকার দুটি থানায় আনা হয়েছে।’ এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হবে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে