মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দূরদূরান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে পুরুষের সঙ্গে নারী বিচারপ্রার্থীরাও আদালতে আসেন। বিচারালয়ে বিচারকদের বসার জায়গা আছে, আইনজীবীদেরও বসার জায়গা আছে। কিন্তু বিচারপ্রার্থীদের বসার জায়গা নেই। অথচ বিচারপ্রার্থীদের জন্যই এই আদালত এবং বিচারব্যবস্থা।
আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিতব্য ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল এই দুই বছরে করোনা মহামারির কারণে মামলা নিষ্পত্তির হার একটু ধীরগতি হয়ে যায়। তবে পরের বছরে মামলা নিষ্পত্তির হারের গতি অনেকটা বেড়েছে। প্রায় ৩৪টি জেলায় মামলা নিষ্পত্তির হার ১০০ শতাংশ। মামলা নিষ্পত্তির হার ১২৫ থেকে ১৩০ শতাংশ করা গেলে আগামী পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে মামলার জট সহনীয় পর্যায়ে আনা যাবে।
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি যখন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেই, সেদিনই প্রধানমন্ত্রীকে বলি, আমাদের বিচারালয় আছে; বিচারকদের বসার জায়গা আছে। আইনজীবীদেরও বসার জায়গা আছে। কিন্তু বিচারপ্রার্থীদের বসার জায়গা নেই। অথচ বিচারপ্রার্থীদের জন্যই এই আদালত এবং বিচারব্যবস্থা। বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে স্বস্তিতে বসবেন—এ রকম আয়োজন সারা দেশে কোনো আদালতে নেই। অথচ এই আদালত ভবন, বিচার প্রশাসন ও আইনজীবী বিচারপ্রার্থীদের সেবার জন্য নিয়োজিত থাকেন।’
মামলার জটের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বাদী ও বিবাদী মিলে প্রতিদিন লাখ লাখ লোকের আদালত প্রাঙ্গণে আসতে হয়। তাঁরা যেন স্বস্তিতে বসে পানি পান করতে পারেন, শৌচাগার ব্যবহার করতে পারেন—এ রকম কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই তিনি ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য ৩৫ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।
৬৪টি জেলায় ৫০ লাখ করে টাকা দিলেও প্রত্যেকটি জেলায় ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা যাবে। সেখানে পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক শৌচাগার। বসার জন্য থাকবে ৫০ থেকে ৭০টি চেয়ারের ব্যবস্থা। একপাশে থাকবে ফাস্ট ফুডের দোকান এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেগুলো আদালতে দরকার হয়।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘মামলা জটের কারণে বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, স্বল্প সময়ে স্বল্প খরচে মানুষ যেন ন্যায়বিচার পান তার ব্যবস্থা করা। এতে “বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে” এই পরিস্থিতি আর হবে না।’
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের বিচারকেরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী। তাঁরা রাত-দিন পরিশ্রম করেন। বিচারকদের কাজ বাইরে থেকে দেখা যায় না। তাঁরা আদালতে যে সময় ব্যয় করেন, বাসায় গিয়েও অনেক রাত পর্যন্ত মামলার রায় লিখতে হয়। আমরা একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে জয়ী হয়েছি, মামলা জট নিরসনের এই যুদ্ধেও আমরা জয়ী হব।’
ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী, জেলা ও দায়রা জজ জয়শ্রী সমদ্দার, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শামীমা আক্তার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উৎপল ভট্টাচার্য্য, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মেজবাউল হক, সাধারণ সম্পাদক নূরতাজ আলম বাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দূরদূরান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে পুরুষের সঙ্গে নারী বিচারপ্রার্থীরাও আদালতে আসেন। বিচারালয়ে বিচারকদের বসার জায়গা আছে, আইনজীবীদেরও বসার জায়গা আছে। কিন্তু বিচারপ্রার্থীদের বসার জায়গা নেই। অথচ বিচারপ্রার্থীদের জন্যই এই আদালত এবং বিচারব্যবস্থা।
আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিতব্য ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল এই দুই বছরে করোনা মহামারির কারণে মামলা নিষ্পত্তির হার একটু ধীরগতি হয়ে যায়। তবে পরের বছরে মামলা নিষ্পত্তির হারের গতি অনেকটা বেড়েছে। প্রায় ৩৪টি জেলায় মামলা নিষ্পত্তির হার ১০০ শতাংশ। মামলা নিষ্পত্তির হার ১২৫ থেকে ১৩০ শতাংশ করা গেলে আগামী পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে মামলার জট সহনীয় পর্যায়ে আনা যাবে।
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি যখন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেই, সেদিনই প্রধানমন্ত্রীকে বলি, আমাদের বিচারালয় আছে; বিচারকদের বসার জায়গা আছে। আইনজীবীদেরও বসার জায়গা আছে। কিন্তু বিচারপ্রার্থীদের বসার জায়গা নেই। অথচ বিচারপ্রার্থীদের জন্যই এই আদালত এবং বিচারব্যবস্থা। বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে স্বস্তিতে বসবেন—এ রকম আয়োজন সারা দেশে কোনো আদালতে নেই। অথচ এই আদালত ভবন, বিচার প্রশাসন ও আইনজীবী বিচারপ্রার্থীদের সেবার জন্য নিয়োজিত থাকেন।’
মামলার জটের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বাদী ও বিবাদী মিলে প্রতিদিন লাখ লাখ লোকের আদালত প্রাঙ্গণে আসতে হয়। তাঁরা যেন স্বস্তিতে বসে পানি পান করতে পারেন, শৌচাগার ব্যবহার করতে পারেন—এ রকম কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই তিনি ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য ৩৫ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।
৬৪টি জেলায় ৫০ লাখ করে টাকা দিলেও প্রত্যেকটি জেলায় ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা যাবে। সেখানে পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক শৌচাগার। বসার জন্য থাকবে ৫০ থেকে ৭০টি চেয়ারের ব্যবস্থা। একপাশে থাকবে ফাস্ট ফুডের দোকান এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেগুলো আদালতে দরকার হয়।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘মামলা জটের কারণে বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, স্বল্প সময়ে স্বল্প খরচে মানুষ যেন ন্যায়বিচার পান তার ব্যবস্থা করা। এতে “বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে” এই পরিস্থিতি আর হবে না।’
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের বিচারকেরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী। তাঁরা রাত-দিন পরিশ্রম করেন। বিচারকদের কাজ বাইরে থেকে দেখা যায় না। তাঁরা আদালতে যে সময় ব্যয় করেন, বাসায় গিয়েও অনেক রাত পর্যন্ত মামলার রায় লিখতে হয়। আমরা একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে জয়ী হয়েছি, মামলা জট নিরসনের এই যুদ্ধেও আমরা জয়ী হব।’
ন্যায়কুঞ্জ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানী, জেলা ও দায়রা জজ জয়শ্রী সমদ্দার, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শামীমা আক্তার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উৎপল ভট্টাচার্য্য, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মেজবাউল হক, সাধারণ সম্পাদক নূরতাজ আলম বাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে