মাগুরা প্রতিনিধি

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সজিব শেখকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর মোবাইল ফোনে ভোটকেন্দ্রে নাশকতার বিস্তারিত ছক ছিল বলে দাবি করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা।
‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে’ মাগুরা শহরের পুলিশ লাইনস এলাকার মো. মোসলেম শেখের ছেলে সজিবকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার পুলিশ সুপার সাংবাদিকেদের এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তি আগে থেকেই দুটি মামলার আসামি, সে পলাতক ছিল। তার মোবাইল ফোন থেকে আমরা জানতে পারি, সে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। তার পরিকল্পনা ছিল ভোটের দিন নাশকতা করার এবং মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর। নির্বাচনের দিন ভোটারদের ভয়ভীতি ও হরতাল পালনে নিজস্ব তৈরি হাতবোমা, সাউন্ড গ্রেনেড ও পটকা ফোটানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।’
এসপি আরও বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত তিনটি করে হাতবোমা মারার পরিকল্পনা করা হয়। গুল্টি ও কাচের বল দিয়ে হামলা করাসহ পুলিশের ওপর হামলারও পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এসব নাশকতার জন্য দুই লাখ টাকা কেন্দ্র থেকে পেয়েছে। বাকি টাকা মাগুরার বিএনপির দুই নেতা মনোয়ার হোসেন খান ও আলী আহমেদ দেবে বলে তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা বাহিনী।’
সজিবের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন সামাজিক সাইটের চ্যাট বক্সে নাশকতা করার নানা পরিকল্পনার তথ্য মিলেছে বলেও পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা দাবি করেন।
জেলা ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির কিংবা ছাত্রদলের কোনো শীর্ষ নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ হাজার ৬৮ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সজিব শেখকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর মোবাইল ফোনে ভোটকেন্দ্রে নাশকতার বিস্তারিত ছক ছিল বলে দাবি করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা।
‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে’ মাগুরা শহরের পুলিশ লাইনস এলাকার মো. মোসলেম শেখের ছেলে সজিবকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার পুলিশ সুপার সাংবাদিকেদের এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তি আগে থেকেই দুটি মামলার আসামি, সে পলাতক ছিল। তার মোবাইল ফোন থেকে আমরা জানতে পারি, সে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। তার পরিকল্পনা ছিল ভোটের দিন নাশকতা করার এবং মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর। নির্বাচনের দিন ভোটারদের ভয়ভীতি ও হরতাল পালনে নিজস্ব তৈরি হাতবোমা, সাউন্ড গ্রেনেড ও পটকা ফোটানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।’
এসপি আরও বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত তিনটি করে হাতবোমা মারার পরিকল্পনা করা হয়। গুল্টি ও কাচের বল দিয়ে হামলা করাসহ পুলিশের ওপর হামলারও পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এসব নাশকতার জন্য দুই লাখ টাকা কেন্দ্র থেকে পেয়েছে। বাকি টাকা মাগুরার বিএনপির দুই নেতা মনোয়ার হোসেন খান ও আলী আহমেদ দেবে বলে তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা বাহিনী।’
সজিবের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন সামাজিক সাইটের চ্যাট বক্সে নাশকতা করার নানা পরিকল্পনার তথ্য মিলেছে বলেও পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা দাবি করেন।
জেলা ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির কিংবা ছাত্রদলের কোনো শীর্ষ নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ হাজার ৬৮ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে