খোরশেদ আলম সাগর, লালমনিরহাট

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বসানো হয়েছে হাট-বাজার। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ। খেলাধুলার চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটিতে যাওয়া-আসা করতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৬ এপ্রিল থেকে এ হাট-বাজার বসানো হচ্ছে। হাটের কার্যক্রম শুরু হয় সকাল থেকে। সারা দিন চলে বেচাকেনা। প্রতি শনি ও বুধবার এই হাট বসে। বাকি ৫ দিনই প্রতিষ্ঠানটির মাঠে বসে দৈনিক বাজার।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের শিয়ালখোওয়া এলাকায় অবস্থিত শিয়ালখোওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শিয়ালখোওয়া উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ। একই ক্যাম্পাসে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ২২৩ জন শিক্ষার্থী এবং উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজে ৬৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একমাত্র খেলার মাঠটির আয়তন প্রায় ৩ একর। এই দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও একটি মাদ্রাসা। এ সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই মাঠটিতে খেলাধুলা করত।
শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বছর তারা আন্দোলন করে স্কুলমাঠটি হাটমুক্ত করেছিল। আবার হাট বসার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, স্কুলমাঠে হাট বসানোর কারণে লোকজনের ভিড় হয়। এই ভিড় ভেদ করে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কষ্টকর। বিশেষ করে ছাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়ে। তামাকের গন্ধে ক্লাসে থাকা দায় হয়ে পড়ে। হাটে আসা গরুর বিষ্ঠা মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে।
শিয়ালখোওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাসেম আলী বলেন, ‘আমাদের স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারছি না। শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। আমাদের দাবির কথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানিয়েছি; কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি।’
শিয়ালখোওয়া হাটের ইজারাদার আসাদুল হক হিরু বলেন, হাটের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বহু বছর ধরে স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। শুধু গত বছর স্কুলমাঠে হাট বসানো হয়নি স্থানীয় দ্বন্দ্বের কারণে। তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মনীতি মেনে সরকারের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে স্কুলমাঠে হাট বসাচ্ছি।’
লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন, অনেক স্কুলমাঠ থেকে হাট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখনো অনেক স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। যেসব স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে, সেখানকার শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। শিয়ালখোওয়া গ্রামে স্কুলমাঠ থেকে হাট অপসারণ করবে উপজেলা প্রশাসন।
কালীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘আমরা হাট ইজারা দিয়েছি। স্কুলমাঠ ইজারা দেইনি।’ তিনি বলেন, হাটের জায়গা সংকটের কারণে ইজারাদার স্কুলমাঠে হাট বসাচ্ছেন। অতীতেও এই স্কুলমাঠে হাট বসেছিল।
স্কুলমাঠ থেকে হাট অপসারণ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ইউএনও বলেন, হাটের ইজারাদার ও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে বসানো হয়েছে হাট-বাজার। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ। খেলাধুলার চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটিতে যাওয়া-আসা করতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৬ এপ্রিল থেকে এ হাট-বাজার বসানো হচ্ছে। হাটের কার্যক্রম শুরু হয় সকাল থেকে। সারা দিন চলে বেচাকেনা। প্রতি শনি ও বুধবার এই হাট বসে। বাকি ৫ দিনই প্রতিষ্ঠানটির মাঠে বসে দৈনিক বাজার।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের শিয়ালখোওয়া এলাকায় অবস্থিত শিয়ালখোওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শিয়ালখোওয়া উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ। একই ক্যাম্পাসে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ২২৩ জন শিক্ষার্থী এবং উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজে ৬৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একমাত্র খেলার মাঠটির আয়তন প্রায় ৩ একর। এই দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও একটি মাদ্রাসা। এ সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই মাঠটিতে খেলাধুলা করত।
শিক্ষার্থীরা জানায়, গত বছর তারা আন্দোলন করে স্কুলমাঠটি হাটমুক্ত করেছিল। আবার হাট বসার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, স্কুলমাঠে হাট বসানোর কারণে লোকজনের ভিড় হয়। এই ভিড় ভেদ করে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কষ্টকর। বিশেষ করে ছাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়ে। তামাকের গন্ধে ক্লাসে থাকা দায় হয়ে পড়ে। হাটে আসা গরুর বিষ্ঠা মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে।
শিয়ালখোওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাসেম আলী বলেন, ‘আমাদের স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারছি না। শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। আমাদের দাবির কথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লিখিতভাবে জানিয়েছি; কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি।’
শিয়ালখোওয়া হাটের ইজারাদার আসাদুল হক হিরু বলেন, হাটের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বহু বছর ধরে স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। শুধু গত বছর স্কুলমাঠে হাট বসানো হয়নি স্থানীয় দ্বন্দ্বের কারণে। তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মনীতি মেনে সরকারের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে স্কুলমাঠে হাট বসাচ্ছি।’
লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন, অনেক স্কুলমাঠ থেকে হাট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখনো অনেক স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে। যেসব স্কুলমাঠে হাট বসানো হচ্ছে, সেখানকার শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। শিয়ালখোওয়া গ্রামে স্কুলমাঠ থেকে হাট অপসারণ করবে উপজেলা প্রশাসন।
কালীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘আমরা হাট ইজারা দিয়েছি। স্কুলমাঠ ইজারা দেইনি।’ তিনি বলেন, হাটের জায়গা সংকটের কারণে ইজারাদার স্কুলমাঠে হাট বসাচ্ছেন। অতীতেও এই স্কুলমাঠে হাট বসেছিল।
স্কুলমাঠ থেকে হাট অপসারণ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ইউএনও বলেন, হাটের ইজারাদার ও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৮ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩২ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৮ মিনিট আগে